১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

পর্যটন ও ভ্রমন

‘এক্ষুণি বিমান নামান, নইলে সবাইকে মেরে ফেলবো’

‘এক্ষুণি বিমান নামান, নইলে সবাইকে মেরে ফেলবো’

পর্যটন ও ভ্রমন
একটা সিগারেট দিয়ে শুরু। বিমানটা যখন পোর্টল্যান্ড আর স্যাক্রামেন্টোর মাঝামাঝি আকাশে উড়ছে তখন এর যাত্রী বাথরুমে গিয়ে সিগারেট জ্বালিয়েছেন। বিমানের স্মোক ডিটেক্টরে সংকেত বেজে উঠল। ছুটে এলেন একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট। আর তারপরই যেন নেমে এলো নরক। সাউথওয়েস্ট এয়ারলাইন্স তাদের ফ্লাইট ২৯৪৩ এর ঘটনা তুলে ধরেছে। গত শনিবারের ঘটনা। বিমানের ক্রু তাকে বাথরুমে সিগারেট পানে বাধা দিলেন এবং তাকে নিজের সিটে ফিরে যেতে বাধ্য করলেন। রাগে ফেটে পড়লেন ওই নারী। বিমানের ছাদ থেকে বেরিয়ে আসা একটা অক্সিজেন মাস্ক টেনে ছিঁড়ে ফেলার জোগাড় করলেন। নারীর পরনে ছিল ওভারকোট, মাথায় হ্যাট আর চোখে সানগ্লাস। অনেকেই তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলেন। পাশের যাত্রী তার ট্যাব থেকে মুখ তুলে চাইতেই তিনি চিৎকার করলেন, 'আমি নিজের পথে নিজে রয়েছি। করিডোরে তাখে থামিয়ে রাখার চেষ্টা করছিলেন ক্রু। কিন্তু তিনি হুমকি দিলেন, শপথ করে বলছি, আপ
ভ্রমণ : চাকরি-বাকরি ছেড়ে দুনিয়া চষে বেড়ানো জুটি

ভ্রমণ : চাকরি-বাকরি ছেড়ে দুনিয়া চষে বেড়ানো জুটি

পর্যটন ও ভ্রমন
জীবনের যাবতীয় ব্যস্ততাকে বিদায় দিয়ে দূরে ভ্রমণে বেরিয়ে যাওয়ার মতো মজার আর কী হতে পারে? আর যদি ভ্রমণপিয়াসী হয়ে থাকেন, তো চার দেয়ালের মাঝে কখনই মন টেকেন না। আজ এখানে ভ্রমণের কোনো স্থানের কথা না বলে এক দম্পতির কথা বলা হলো। এরা সত্যিকার অর্থেই ভিদিত তানিজা এবং সাভি মুঞ্জালের মনটা সব সময় দূরে কোথাও পড়ে থাকে। একই জিনিসের প্রতি তাদের দুয়ের একই ভালোলাগা দুজনকে আরো কাছে এনেছে। আরে সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছেন দুজনই। একটা পর্যায়ে তারা নিজেদের গতানুগতিক চাকরি ছেড়ে দিলেন। ঘুরতে শুরু করলেন একযোগে। ভ্রমণটাকেই চাকরি হিসেবে নিলেন তারা। দশ বছর ধরে ভ্রমণের পর সেই পাহাড়সমান অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে শুরু করলেন। তারা বললেন, যেসব দেশে পর্যটকরা যেতে চান না তেমন ৫০টি দেশে ভ্রমণ করলাম আমরা। এর পরই আত্মীয়-বন্ধুরা প্রতিসপ্তাহেই ইমেইল পাঠিয়ে আমাদের আরো পরামর্শ দিতে থাকলেন। তারা আমাদের অভিজ্ঞতা প্রকাশের অনুরোধ করলেন। আ
ভ্রমণ করুন আধুনিকতার ‘কল্পরাজ্য’ শাংহাই।

ভ্রমণ করুন আধুনিকতার ‘কল্পরাজ্য’ শাংহাই।

পর্যটন ও ভ্রমন
ভ্রমণের জন্যে দারুণ এক দেশ চীন। এর আনাচে কানাচে অসংখ্য মনকাড়া স্থান রয়েছে। যদি সেখানে ভ্রমণের পরিকল্পনা করেই থাকেন, তবে এবার শাংহাইয়ের কথাই বলা যাক। পর্যটকদের কাছে বিখ্যাত এক স্থান। বিশ্বের সব পর্যটকই জীবনে একবার না একবার হলেও শাংহাই দর্শন করতে চান। এখানে দেখে নিন শাংহাইয়ের কিছু আকর্ষণীয় স্থানের কথা। যদি যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তবে এই স্থানগুলোতে ভ্রমণের সুযোগ হারাবেন না। ১. শাংহাইয়ের অত্যাধুনিক পুডং ফিনানসিয়াল ডিস্ট্রিক্ট দেখে আপনি মুগ্ধ হয়ে যাবেন। আর আলোকছটায় কোনো কল্পরাজ্য বলেই মনে হয়। হুয়াংপু নদীর ওপার থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়। সেখানকার ওরিয়েন্টাল পার্ল টাওয়ার এবং বেশ কয়েকটি আকাশছোঁয়া ভবন দেখার মতো জিনিস।  এ প্রতিবেদনের প্রথম ছবিটা পুডং ফিনানসিয়াল ডিস্ট্রিক্টের আধুনিকতা সমহিমায় প্রকাশ করছে। ২. তাইকাং রোডের পাশে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে ক্যাফে আর বুটিক। স্থানীয় ও পর্যটকদের কাছে এই স্থান ব্যা
নীল আলোর আগ্নেয়গিরি কাওয়াহ ইজেন

নীল আলোর আগ্নেয়গিরি কাওয়াহ ইজেন

পর্যটন ও ভ্রমন
নীল আলোর আগ্নেয়গিরি কাওয়াহ ইজেন। বিশ্বের বৃহত্তম এই নীল আগুনের আগ্নেয়গিরির অবস্থান ইন্দোনেশিয়ার জাভা অঞ্চলে। বিজ্ঞানীরা এ নীল আলোর ব্যাখ্যা দেন এভাবে—এই আগ্নেয়গিরি থেকে সালফার বাষ্প বের হয়। আর সেটি বাতাসে মেশার আগে এই নীলাভ আলো তৈরি হয়। এই আগ্নেয়গিরিসংলগ্ন এক কিলোমিটারজুড়ে হ্রদের ওপর দিয়ে যখন ধোঁয়া উড়ে যায়, তখন তা আরো মোহনীয় হয়ে ওঠে। আলোর খেলা দেখতে চাই অন্ধকার। সম্প্রতি রাতের আঁধারে এ প্রতিবেদকসহ ৪০০ অভিযাত্রীর সুযোগ হয়েছিল এই মোহনীয় দৃশ্য দেখার। এ জন্য অবশ্য পাহাড়ি পথের কষ্ট মেনে নিতে হয়েছে। মূলত ইন্দোনেশিয়া সরকারের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, কানাডা, ভিয়েতনাম, নেদারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের অভিযাত্রীরা ছিলেন এই দলে। পুরুষের পাশাপাশি ছিলেন নারীরাও। এই অভিযাত্রীদলে বাংলাদেশের ছিলেন ১০ জন প্রতিনিধি। ১৮ হাজার দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়ায় আছে ৪০০ আগ্নেয়গিরি। এর মধ্যে জীব
দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।

দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন।

পর্যটন ও ভ্রমন
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিনে বঙ্গপসাগরের মাঝে অসংখ্য প্রবাল রাশি মিলে মিশে একাকার হয়ে তৈরি করেছে দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন। সাগরের সুনীল জলরাশি আর নারিকেল গাছের সারি এই দ্বীপকে দিয়েছে অপার সৌন্দর্য। প্রকৃতি দু হাত মেলে সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে এখানে। বালুকাময় সৈকত, প্রবালের প্রাচীর আর কেয়া গাছের সারি এই দ্বীপকে দিয়েছে আলাদা এক বৈশিষ্ট যা আর কোথাও নেই। উত্তাল সাগরের নোনা জল যখন আছড়ে পরে কেয়া গাছের ফাকে, ঝিরি ঝিরি বাতাসে তৈরি হয় সফেদ ফেনা, সে এক মাতাল করা দৃশ্য। রাতের জোৎসনা এসে যখন লুটোপুটি খায় চিকচিকে বালুর বুকে, নীল আকাশ তখন আরও নীলাভ হয়। ছুনছান নিরব রাতে চারিদিকে শুধু সাগরের হুংকার আর ঢেউ এর আছড়ে পড়ার গর্জন। অপূর্ব, অসাধারণ, অদ্ভুত সুন্দর, অসহ্য সুন্দর। হাজারো জোৎসনা রাতের চেয়েও সুন্দর সেন্ট মার্টিনের একটি নির্ঘুম চাঁদনী রাত, এখানে সময়ের কাটা এগিয়ে চলে কিন্তু সৌন্দর্
মন্দির দর্শনেই মন পবিত্র হয়ে যায়।

মন্দির দর্শনেই মন পবিত্র হয়ে যায়।

পর্যটন ও ভ্রমন
স্বর্ন মন্দির বা স্বর্ণজাদির আসল নাম বুদ্ধধাতু চেতী। সোনালী রং এর সুন্দর কারুকাজে তৈরি এ মন্দির দর্শনেই মন পবিত্র হয়ে যায়। বান্দরবন শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে বালাঘাটাস্থ পুরপাড়া নামক স্থানে সুউচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় এ জাদিটি অবস্থিত যা বৌদ্ধদের কাছে পবিত্র এক তীর্থস্থান। সম্পূর্ন সোনালী আর মেরুন রং এ সজ্জিত এই মন্দিরটি দেখতে মনে হবে যেন স্বর্ন দিয়ে মোড়ানো। কিন্তু এটা আসলে স্বর্ণ দিয়ে নির্মিত মন্দির নয়। মন্দিরটি দেখেতে সোনালী রঙের হওয়ায় সবাই একে স্বর্ণ মন্দির নাম আখ্যায়িত করে। স্বর্ন মন্দিরের বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি এর অবকাঠামোগত সৌন্দর্যও দেখার মত। মন্দিরের বাইরের অংশে ভিন্ন ভিন্ন প্রকোষ্ঠে তিব্বত, চীন, নেপাল, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভূটান, মায়ানমার,কোরিয়া, জাপান ইত্যাদি দেশের শৈলীতে সৃষ্ট ১২টি দন্ডায়মান বুদ্ধ আবক্ষ মূর্তি এখানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আর মন্দিরের অভ্যন্ত
পাহাড়ের এক স্বপ্নিল রাজ্য যেন বান্দরবন: চিম্বুকে পাহাড়

পাহাড়ের এক স্বপ্নিল রাজ্য যেন বান্দরবন: চিম্বুকে পাহাড়

পর্যটন ও ভ্রমন
‘‘বাংলার দার্জিলিং’’ খ্যাত চিম্বুকের নাম দেশের গন্ডী পেরিয়ে আজ বিদেশেও পরিচিত। এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী পর্যটন স্পট যা জেলা শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সমুদ্র পৃষ্ট হতে এর উচ্চতা প্রায় ২৬০০ ফুট। পাহাড়ের এক স্বপ্নিল রাজ্য যেন বান্দরবন। পাহাড়ের পর পাহাড় এখানে মালা গাথে আপন মহিমায়। পাহাড়ের মাঝখানে ছোট জেলা শহর বান্দরবান। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতাসম্পন্ন পাহাড়গুলোর অবস্থান এই বান্দরবানে। এর মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে বিজয় (প্রায় ৫০০০ ফুট), তাজিংডন(৪৫০০ ফুট), কেওক্রাডাং, চিম্বুক (৩২০০ ফুট), ইত্যাদি। পার্বত্য জেলার ১৩টি আদিবাসীর প্রায় সবগুলোর অবস্থান এই বান্দরবানে। আদিবাসীগুলো হচ্ছে চাকমা, মারমা, টিপরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, বোম, উসুই, পাংখো, তঞ্চ্যঙ্গা, খ্যাং, ওচাক। তবে মারমা সমপ্রদায়ের লোকসংখ্যাই বেশি বান্দরবানে। পুরো বান্দারবান জেলাই প্রাকৃতিক দৃশ্যে ভরপুর। বান্দরবান থেকে পুরো রাস্তা আকাব
টেকনাফের গেম রিজার্ভটি ঘুরে আসুন।

টেকনাফের গেম রিজার্ভটি ঘুরে আসুন।

পর্যটন ও ভ্রমন
কক্সবাজার শহর থেকে ৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণে টেকনাফের দমদমিয়া এলাকায় মুছনী গ্রামে অবস্থিত দেশের একমাত্র গেম রিজার্ভেরটি। বন্য হাতীর আক্রমন থেকে রক্ষা পাবার জন্য ১৯৮৩ সালে এই গেম রিজার্ভটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। কক্সবাজার বন বিভাগ এই গেম রিজার্ভটির দেখাশুনা ও রক্ষনাবেক্ষন করে থাকে। পথে কক্সবাজার শহর থেকে সেখানে যেতে সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। বিশাল এই গেম রিজার্ভ ঘুরে আপনি প্রকৃতি, বন্য পশুপাখি, গাছপালা, ফল-ফুলসহ নানা দুর্লভ দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন। সবাই টেকনাফে আসেন সমুদ্র কিংবা নাফ নদীর দৃশ্য উপভোগ করতে। তবে এখানকার সবুজ বনানী আর প্রাকৃতিক পরিবেশের আকর্ষণও কম নয়। এখানে আছে হেঁটে ঘুরে দেখার মতো বেশ কিছু জায়গা। গেম রিজাভের্ শত শত জানা অজানা গাছের সজ্জা, পাখির কলতান, পশুর বিচরন সব কিছু আপনাকে মোহিত করবে। ভ্রমনের মাঝে যারা ভিন্নতা চান, প্রকৃতির মাঝে নিজেকে হারাতে চান তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার স্থা
কিছু ভালো সময় উপভোগ করে আসতে পারেন কক্সবাজারে।

কিছু ভালো সময় উপভোগ করে আসতে পারেন কক্সবাজারে।

পর্যটন ও ভ্রমন
বিস্তীর্ণ বেলাভূমি, সারি সারি ঝাউবন, সৈকতে আছড়ে পড়া বিশাল ঢেউ। সকালবেলা দিগন্তে জলরাশি ভেদকরে রক্তবর্ণের থালার মতো সূর্য। অস্তের সময় দিগন্তের চারিদিকে আরো বেশি স্বপ্নিল রঙ মেখে সে বিদায় জানায়। এসব সৌন্দর্যের পসরা নিয়েই বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে রচনা করেছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী বলা হয় এ জায়গাটিকে। সড়কপথে ঢাকা থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে নয়নাভিরাম এ সমুদ্র সৈকত। এখানকার সমুদ্রের পানিতে গোসল, সূর্যাস্তের মনোহারা দৃশ্য দেখেও ভালো লাগবে। কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণের শুরুটা হতে পারে লাবনী পয়েন্ট থেকে। লাবনী বিচ ধরে হেঁটে হেঁটে পূর্ব দিকে সোজা চলে যাওয়া যায় হিমছড়ির দিকে। যতোই সামনে এগুবেন ততোই সুন্দর এ সৈকত। সকাল বেলা বের হলে এ সৌন্দর্যের সাথে বাড়তি পাওনা হবে নানান বয়সী জেলেদের মাছ
ছুটছে সবাই সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি ।

ছুটছে সবাই সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি ।

পর্যটন ও ভ্রমন
সাজেক রাঙামাটির জেলার বাঘাইছরি উপজেলার একটি ইউনিয়ন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন সাজেক আয়তনে বিশাল, বাংলাদেশের অনেক উপজেলার চেয়েও আয়তনে বড়। এটির অবস্থান খাগড়াছড়ি জেলা থেকে উত্তর-পুর্ব দিকে। মুল সাজেক বলতে যে স্থানকে বুঝায় সেটি হলো ‘রুইলুই’ এবং ‘কংলাক’ নামের দুটি বসতি, স্থানীয় ভাষায় ’পাড়া’। সমতল ভুমি থেকে প্রায় ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত ‘রুইলুই’ এবং ‘কংলাক’ বসতি। রুইলুই এবং কংলাক থেকে ভারতের মিজোরাম রাজ্য বেশ কাছাকাছি, হাটার দুরত্ব প্রায় দুই ঘন্টার। এজন্য সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রায়, পোষাক-পরিচ্ছদে আধুনিকতার ছাপ পড়েছে। মেয়েরা প্রায় সবাই পশ্চিমা স্টাইলে জিন্স প্যান্ট, গেন্জি বা টি-শার্ট পরিধান করে থাকে। তাদের প্রায় সবারই ছেলেমেয়েকে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না দিয়ে মিজোরামের উন্নত এবং ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল-কলেজে পড়ালেখার জন্য পাঠায়। একারনে তাদের অনেকেই ইংরেজিতে কথা বলতে অভ্যস্ত। পাহাড়ী