১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

লাইফস্টাইল

অকারণে ঘেমে যাওয়া হতে পারে মৃত্যুর আগাম ইঙ্গিত

অকারণে ঘেমে যাওয়া হতে পারে মৃত্যুর আগাম ইঙ্গিত

লাইফস্টাইল
অনেকে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন বালিশ আপনার শরীরের ঘামে ভেজা। কোন পরিশ্রম না করেই ঘুমের ভেতরেই ঘর্মাক্ত হয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। অনেকেই বুঝতে পারেন না কত বড় বিপদের লক্ষণ হতে পারে এটা। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হৃদরোগের আগাম ইঙ্গিত হতে পারে এটা। জানা গেছে, অঝোরে ঘাম হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ। বিশেষ করে যখন কেউ ব্যায়াম বা অন্য কিছু করে শরীরকে ব্যস্ত রাখেনি। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ হিসেবে বুকে ব্যথার পাশাপাশি কাঁধ ও হাতে ব্যথা কিংবা ঘাড় ও চোয়ালে অস্বস্তির কথা বলা হয়। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় ব্যথা শুরুর আগে শরীরে ঘাম হতে থাকে। সেই ঘামই প্রাথমিক লক্ষণ, সেটা অনেক সময়ই আক্রান্ত বুঝতে পারেন না। অনেক সময় নারীরা সেই ঘামকে মেনোপজের লক্ষণ ভেবে নেন। অনেকে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন বিছানা-বালিশ ঘামে গিজে গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই ধরনের লক্ষণ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ
মেকআপ থেকে হতে পারে কিডনি-ক্যান্সারের সমস্যা

মেকআপ থেকে হতে পারে কিডনি-ক্যান্সারের সমস্যা

লাইফস্টাইল
আপনি কি প্রতিদিন মেকআপ করেন? তাহলে এখনই সাবধান হোন। কারণ মেকআপ থেকে হতে পারে কিডনির সমস্যা, হাড়ের অসুখ, এমনকী ক্যান্সারও। ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির রমরমার কারণে আমরা নিজেদের সুন্দর দেখাতে প্রায় সময়ই মেকআপের সাহায্য নিয়ে থাকি। কিন্তু এর থেকেই আসতে পারে বিপদ। বিজনেস ওয়্যারের রিপোর্ট অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০১৪ সালেই সারা বিশ্বে কসমেটিক্স মার্কেটের ব্যবসা ছুঁয়েছিল ৪৬ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫ সালে ইউটিউবে শুধুমাত্র বিউটি সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ছিল ১২ কোটিরও বেশি। নিজেকে সাজিয়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা পেরিয়ে মেকআপ যখনই অবসেশন বা মানসিক নির্ভরশীলতার জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে সেখানেই বাড়ছে বিপদ। ফাউন্ডেশন, সেটিং পাউডারের মতো প্রডাক্টে এমন কিছু রাসায়নিক থাকে যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। ত্বকের সঙ্গে প্রতিক্রিয়ায় শুষ্ক ভাব, অ্যালার্জি যেমন হতে পারে, তেমনই কিছু কিছু টক্সিক রাসায়নিক ত্বকের গভীরে গিয়ে রক্তে
দিনে এক কাপ চা ভালো রাখবে চোখ

দিনে এক কাপ চা ভালো রাখবে চোখ

লাইফস্টাইল
চা বিলাসীদের জন্য সুখবর! সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, দিনে এক কাপ চা পান সুস্থ রাখতে পারে আপনার চোখকে। গ্লুকোমা থেকে চোখকে বাঁচাতে নাকি রীতিমতো ওষুধ হিসেবে কাজ করে চা। কিন্তু শর্ত একটাই। এই চা হতে হবে ধোঁয়া ওঠা কাপের। আইসড টি কিংবা অন্য কোনো নরম পানীয় সেবনে কিছুই ফল হবে না, বলছে গবেষণা। চোখের ভেতরের প্রয়োজনীয় তরলের চাপের ভারসাম্য হারানোকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে গ্লুকোমা। বর্তমানে অন্ধত্বের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ কিন্তু এটাই। সারা পৃথিবীতে গ্লুকোমা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা সাড়ে পঞ্চাশ কোটি। ২০২০-এর মধ্যে সংখ্যাটা ৬০ কোটি ছাড়াবে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন একজামিনেশন সারভে'র পক্ষ থেকে ১০০০০ মানুষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, টানা এক বছর প্রতিদিন এক কাপ গরম চা যারা নিয়মিত পান করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে গ্লুকোমায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভা
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে ৫টি বিপদ

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে ৫টি বিপদ

লাইফস্টাইল
ঘুম যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু কাজের চাপে ও আরও নানা কারণে অবহেলিত হয় ঘুম। মনোবিদ হোপ বাস্টাইনের সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, ৫টি বিপদ হতে পারে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে। সেই সঙ্গে রাতের ঘুম যেন অন্তত ৬ ঘণ্টা হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করেছে সেই গবেষণা- ১। ঠিকমতো ঘুম না হলে আচমকাই বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপ। যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপজনিত কোনও অসুখ না থাকে, তা হলেও তা আচমকাই শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। আর যদি এই অসুখ আপনার আগে থেকেই থেকে থাকে, তাহলে আরও বেড়ে যেতে পারে রক্তচাপের মাত্রা। ২। ঘুম ঠিকমতো না হলে বেড়ে যেতে পারে ওজনও। কেননা ঘুম না হলে খিদে বাড়ানোর হরমোনের মাত্রা শরীরে বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের ফলে ওজনের কাঁটা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে। ৩। ঘুমের সময় কমে এলে তার চিহ্ন ফুটে ওঠে ত্বকে। মুখে গজায় অ্যাকনে। কেননা ঘ
ফেং সুই মানলে হতে পারে বেকারত্ব সমস্যার সমাধান

ফেং সুই মানলে হতে পারে বেকারত্ব সমস্যার সমাধান

লাইফস্টাইল
বিভিন্ন জনকে বায়োডেটা পাঠাচ্ছেন চাকরির জন্য। পাশাপাশি একের পর এক পরীক্ষা-ইন্টারভিউ দিয়ে চলেছেন। এতকিছুর পরেও কিন্তু ফলাফল শূন্য। যার ফলে সবমিলিয়ে হতাশা আপনাকে গ্রাস করেছে। তাহলে একবার চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন কিছু ফেং সুই পরামর্শের দিকে৷ কে জানে হয়তো এই পরামর্শ আপনার সমস্যা সমাধান করলেও করতে পারে- ১) ঘরের উত্তর দিককে জীবনের রাস্তা হিসেবে মনে করা হয়৷ এর সঙ্গে আমাদের ক্যারিয়ার এবং জীবন এবং আমাদের এনার্জি ওতেপ্রোতভাবে জড়িয়ে৷ তাই এই দিকে সফল ব্যক্তিদের ছবি রাখুন, যাদের আপনি আদর্শ হিসেবে মনে করেন৷ ২) উত্তরের দিকে আয়না বা অ্যাকোয়ারিয়াম বা পানির সঙ্গে যুক্ত কোনও কিছু রাখতে পারেন৷ এমন করলে লাভ আপনারই৷ ৩) উত্তরের দিকে নীল বা কালো রং করাতে পারেন, এটি আপনার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ভালো প্রভাব ফেলতে পারে৷ ৪) মাথায় রাখবেন আপনার বাড়ির মুখ্য দরজা খোলার ক্ষেত্রে আশেপাশে যেন কোনও বাধা
বাচ্চার ঠিকঠাক খেয়াল রাখছেন তো!

বাচ্চার ঠিকঠাক খেয়াল রাখছেন তো!

লাইফস্টাইল
বাবা-মার ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্যেই শিশুর সামগ্রিক মানসিক-চারিত্রিক বিকাশ নির্ভর করে বলে বিশেষজ্ঞদের মত। তাই সারাদিন শিশু কী করছে, ঠিকমতো খাচ্ছে কিনা এসব ব্যাপারে মনোযোগ রাখা জরুরি। শিশুর সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখা জরুরি সেগুলো হলো : ১. স্কুলের বিষয়কে বাচ্চারা সাধারণত বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে তারা সবসময় স্কুলের ৩ জন ভালো বন্ধুর কথা বলে থাকে। এমনকি অপছন্দের ৩টি জিনিসের কথাও বলতে ভোলেন না তারা। তাই এ সময় মায়েদের কাজ হলো স্কুল থেকে আসার পর বাচ্চাদের এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা। ২. বাসে ভ্রমণের সময় খারাপ লাগছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করা। ৩. স্কুলে সে আজ কি কি ব্যায়াম বা শরীরচর্চা করেছে তা জানা। ৪. সে কোন ৩টি ভালো কাজের পাশাপাশি কোন ৩টি খারাপ কাজ করেছে। ৫. গতকালের চেয়ে আজ সে ভালো কোন কাজটি করেছে? ৬ . স্কুলে কে তাকে আনন্দ দিয়েছে? কার আচরণে সে অনেক কষ্ট পেয়েছে?
যে ৭ বিষয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ নয়

যে ৭ বিষয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ নয়

লাইফস্টাইল
চাকরির সুবাদে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন দীর্ঘদিন। কারো সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা অনেক ভালো। কাজের ফাঁকে জমিয়ে গল্প করেন তাদের সঙ্গে! দিনের বড় একটা সময় অফিস সহকর্মীদের সঙ্গেই সময় কাটান। এতে সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা অবশ্যই ভালো। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তাদের ও নিজের মাঝে দেয়াল থাকা উচিত। এ সম্পর্কে পেশাদার থাকাই উত্তম। নিজের ও নিজের ক্যারিয়ারের জন্য উভয় ক্ষেত্রেই এই দূরত্ব জরুরি। সহকর্মী ও নিজের মধ্যকার সম্পর্কটা কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়েছেন কর্মক্ষেত্র বিষয়ক বিশেষজ্ঞ জয়দীপ হর। তিনি জানিয়েছেন, কোনো সহকর্মীর সঙ্গে যে কথাগুলো কখনোই বলা উচিত নয়। ১. প্রত্যেক মানুষের উচিত তার শারীরিক মিলন নিয়ে সহকর্মীর সঙ্গে কথা না বলা। কেননা পরে এটা তাদের বড় সমস্যায় ফেলতে পারে। এখানে কোনোভাবে নিপীড়নের প্রসঙ্গ উঠতে পারে। আর কর্মক্ষেত্রে বিষয়টি বেশ অস্বস্তিকর। ২. কর্মক্ষেত্রে কোনো দল
চুল পড়া রোধ করবে পালংশাক!

চুল পড়া রোধ করবে পালংশাক!

লাইফস্টাইল
শীতকালে শাক-সবজি বাজারে এসে গেছে। আর শীতের শাকের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পালং শাক। এটি যেমন খেতে ভালো, তেমনি কাজেও দারুণ। পালং শাক খাওয়ার রয়েছে নানান উপকারিতা। চলুন তাহলে জেনে নিই সেগুলো- পালংশাকে যেমন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’, ‘এ’, ‘সি’, ‘বি২’ ও ফলিক অ্যাসিড থাকে, তেমনি ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২৩ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আমিষ, ৪ গ্রাম শর্করা ও ২ গ্রাম আঁশ থাকে, তবে কোনো চর্বি নেই। পালংশাকে প্রচুর পানি থাকে। দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে পালংশাক। রক্তের গুণাগুণ বাড়ায়। পালংশাকের আয়রন লাল রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে, যা সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে। পালংশাকের চেয়ে বেশি ভিটামিন ‘কে’ সমৃদ্ধ শাক খুঁজে পাওয়া কঠিন। হাড় সুরক্ষায় এই ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অকাল অন্ধত্ব এবং রাতকানা রোধে পালংশাকের ভিটামিন ‘এ’ খুব কাজে দেয়।
পর্নোগ্রাফিতে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি; হতে পারে অপূরণীয় ক্ষতি!

পর্নোগ্রাফিতে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি; হতে পারে অপূরণীয় ক্ষতি!

লাইফস্টাইল
তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতা ও ইন্টারনেটের কল্যাণে গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। কম্পিউটার অথবা স্মার্টফোনের একটি ক্লিকেই আপনি ঘুরে আসতে পারেন বিশ্বের যে কোনও স্থানে। প্রবেশ করতে পারেন পর্নোগ্রাফির সাইটেও। কিন্তু পর্নোগ্রাফির প্রতি আসক্তি আপনার জীবনে নিয়ে আসতে পারে বিরূপ প্রভাব এমনকি অনাগ্রহী হয়ে উঠতে পারেন স্বাভাবিক যৌন জীবনে। পর্নোগ্রাফির প্রভাব ব্যক্তিবিশেষের জন্য অন্যদের থেকে ভিন্ন হতে পারে। যা স্বাভাবিক যৌনক্রিয়া ও যৌন সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। আমেরিকার ব্রিগহ্যাম ইয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দাবী করা হয়েছে, আত্মবিশ্বাসের অভাব, নিজেকে ছোট মনে করা এবং প্রেমের সম্পর্ক থেকে দূরে সরিয়ে রাখার কারণ পর্নোগ্রাফিতে মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি। আমেরিকার ৩৫০ জন পুরুষ এবং ৩৩৬ জন মহিলার ওপর এই গবেষণা চালানো হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাথান লিওনহার্ট গবেষণায় জানান, পর্নোগ্রাফিত
খালি পায়ে হাঁটলে কি হতে পারে জানেন?

খালি পায়ে হাঁটলে কি হতে পারে জানেন?

লাইফস্টাইল
একটা সময় ছিল যখন দাদা-দাদীরা প্রতিদিন সকালে উঠে খালি পায়ে ঘাসের উপর হাঁটতেন। তারা বলতেন, এইভাবে হাঁটলে নাকি শরীরে কোনও রোগ আসে না। তাদের দীর্ঘ জীবনের সিক্রেটটা আসলে কী ছিল! কারণ বাস্তবিকই খালি পায়ে হাঁটার অভ্যাস করলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, বরং অনেক উপকার পাওয়া যায়। একাধিক গবেষণাতেও একথা প্রমাণিত হয়েছে। এইসব স্ট্যাডি চলাকালীন গবেষকরা লক্ষ করেছেন খালি পায়ে হাঁটার সঙ্গে আমাদের শরীরের ভাল থাকার সরাসরি যোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কের অন্দরের গঠন থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত শরীরে প্রতিটি কণাকে সুস্থ রাখতে খালি পায়ে হাঁটার যে কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এমন কর্মব্যস্ত জীবনে শরীরের খেয়াল রাখা বেশিরভাগ সময়ই সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তো এমন সহজ পদ্ধতিগুলির সাহায্য নেওয়া উচিত। না হলে একদিকে যেমন কমবে আয়ু, তেমনি বাড়বে একাধিক রোগের প্রকোপ। চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা কী ক