১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

শরীর ও স্বাস্থ্য

স্ট্রোকের এই ১৩টি লক্ষণ কখনোই অগ্রাহ্য করা উচিত নয়

স্ট্রোকের এই ১৩টি লক্ষণ কখনোই অগ্রাহ্য করা উচিত নয়

মস্তিষ্কের ভেতরে রক্তের শিরায় রক্ত জমাট বাধার ফলে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে স্ট্রোক হয়। এ থেকে ব্রেন ড্যামেজ, প্যারালাইসিস এবং মৃত্যুও হতে পারে। সুতরাং স্ট্রোক গুরুতর একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। আর এমনটা ঘটলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতাল ও ডাক্তারের কাছে নেওয়াও জরুরি। সুতরাং স্ট্রোকের প্রাথমিক এই ১৩টি লক্ষণ কোনোভাবেই অগ্রাহ্য করা যাবেন না। ১. মুখের অর্ধেক অসাড় হয়ে পড়া আপনি যদি হঠাৎ করেই হাসার সময় মুখের অর্ধেক নাড়াতে না পারেন বা মুখের অর্ধেক পুরোপুরি অসাড় হয়ে পড়ে তাহলে তা স্ট্রোকের স্পষ্ট একটি লক্ষণ। এমনটা ঘটে যখন আপনার মুখের মাংসপেশিতে রক্ত সরবরাহকারী স্নায়ুগুলো অক্সিজেন সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২. একটি বাহুতে দুর্বলতা স্ট্রোকের আরেকটি স্পষ্ট লক্ষণ হলো কোনো একটি বাহুতে এমন দুর্বলতা বা অসাড়তা যে আপনি তা মাথার ওপর টেনে তুলতে পারছেন না। ৩. কথা বলায় অস্পষ্টতা আপনি যদি হ
ফিরে এসেছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ভয়ংকর চিকিৎসা

ফিরে এসেছে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে ভয়ংকর চিকিৎসা

মানসিক রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার চল ছিল গত শতাব্দীতে। তবে নানা কারণে এ পদ্ধতিকে অকার্যকর মনে করে প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন আবার যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসাক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ শুরু হয়েছে। এ ছাড়া চীনে 'সমকামিতা'র চিকিৎসাও বৈদ্যুতিক শক দিয়ে করা হয়। ২০১৫-১৬ সালে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে রোগীর চিকিৎসা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে এ সময়ে ২০ হাজারেরও বেশি রোগীকে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শক থেরাপির ঝুঁকি অনেক এবং তা থেকে কতখানি উপকার পাওয়া যাবে তার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। কিন্তু বর্তমানে এ চিকিৎসায় অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সহজলভ্য হয়েছে। এতে করে সঠিকভাব চিকিৎসা করার উপায়ও তৈরি হচ্ছে। তবে এভাবে চিকিৎসার ঝুঁকিও রয়েছে।  ২০০৩ সালের এক জরিপে দেখা যায়, বৈদ্যুতিক শক দিয়ে চিকিৎসায় প্রায় এক তৃতীয়াংশ রোগীর মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি হারিয়ে যায়।
জেনে নিন, হার্ট অ্যাটাকের প্রথম লক্ষণগুলো কী কী?

জেনে নিন, হার্ট অ্যাটাকের প্রথম লক্ষণগুলো কী কী?

হার্ট অ্যাটাক। ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য এই শব্দ দুটিই যথেষ্ট। বুকের বাঁদিকে হালকা ব্যথা, কাঁধ, ঘাড়, সারা শরীরে ব্যথা এবং অস্বস্তি...এমন উপসর্গ হতে হতেই হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকে। এতদিন পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাকের এই সমস্ত লক্ষণগুলোই জানা ছিল আমাদের। কিন্তু সম্প্রতি গবেষণায় জানা গেছে, হার্ট অ্যাটাক হওয়ার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই বিভিন্ন লক্ষণ দেখা যায়। গবেষণায় জানা যাচ্ছে, কোনো রকম শারীরিক কসরৎ ছাড়াই হঠাৎ করে ঘেমে যাওয়াও হার্ট অ্যাটাকেরই লক্ষণ। যে লক্ষণটা আমরা সবচেয়ে বেশি এড়িয়ে যাই, তাহলো, নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজের কারণেও হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যাদের ধূমপানের অভ্যাস রয়েছে, ডায়াবিটিসের সমস্যা রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি থাকে। সূত্র: ইন্টারনেট
হৃদরোগের যে ৯টি অপ্রত্যাশিত লক্ষণ আপনার জানা দরকার

হৃদরোগের যে ৯টি অপ্রত্যাশিত লক্ষণ আপনার জানা দরকার

বুকের ব্যাথা, ক্লান্তি এবং অবসাদ সহ হৃদরোগের বেশ কিছু লক্ষণ এখন আমাদের প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু এছাড়াও হৃদরোগের কিছু অপ্রত্যাশিত লক্ষণ আছে যেগুলো সম্পর্কে আপনাকে সজাগ হতে হবে। যদি অকালেই হার্ট অ্যাটাকে মরতে না চান। আসুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই লক্ষণগুলো। ১. যৌন দুর্বলতা আপনি নারী বা পুরুষ যাই হোন না কেন বেডরুম ডিপার্টমেন্টে সমস্যা হলে তা আপনার জন্য খুবই বিব্রতকর বা হতাশাজনক হতে বাধ্য। সাধারণত লোকে মনে করেন পুরুষদের লিঙ্গোত্থানে সমস্যা এবং নারীদের যৌন শীতলতা অন্য নানা কারণেও হতে পারে। তবে হৃদপিণ্ডের সমস্যার কারণেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কেননা হৃদপিণ্ড দুর্বল হয়ে পড়লে তা যৌনাঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণে রক্ত পাম্প করে সরবরাহ করতে পারে না। যার ফলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। ২. উচ্চ রক্তচাপ উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন এমন একটি কন্ডিশন যাতে ধমনীগুলোর বিপরীতে রক্তের প্রবাহ খুবই উচ্চ হয়। যার ফলে ন
আকর্ষণীয় শরীর গঠনে পালনীয়

আকর্ষণীয় শরীর গঠনে পালনীয়

বিভিন্ন কারণে আপনার শরীরটা আকর্ষণীয় না হতেও পারে। যেকোনো কারণে হোক আপনি মুটিয়ে গেছেন। সে জন্য অবশ্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। ইচ্ছা এবং চেষ্টা করলেই আপনি নিজেই গড়ে নিতে পারেন আপনার পছন্দমতো শরীর। অবশ্য এ জন্য আপনাকে বেশ কিছু নিয়ম যেমন পালন করতে হবে, তেমনি লোভনীয় কিছু খাবার থেকে আপনার নজর সরিয়ে নিতে হবে। অন্যথায় ইচ্ছা ও চেষ্টা থাকলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না। চিনি আপনার শত্রু ‘চিনি’ যে শরীরের জন্য শত্রুর সমান, এটা কমবেশি সবাই শুনে থাকবেন। কিন্তু এটাই সত্য। ক্যান্ডি ও মিষ্টি যদি আপনার প্রিয় খাবারের শীর্ষে থাকে, তাহলে তা এখনই বদলে ফেলা উচিত। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে না পারছেন, ততক্ষণ এই ‘শত্রু’ থেকে দূরে থাকতে হবে। ক্যালরিযুক্ত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে কাঙ্ক্ষিত ওজন পেতে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেসব পানীয়তে ক্যালরি আছে, সেসব এড়িয়ে চলতে হবে। পান
শীতকালে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে পাবেন ৬টি উপকারিতা

শীতকালে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে পাবেন ৬টি উপকারিতা

ক্রসিফেরাস পরিবারের এই সদস্যটিকে কাজে লাগিয়ে নানা মুখরোচক খাদ্য বানানো হলেও চিকিৎসকদের মতে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খেলে মেলে নানা শারীরিক উপকারিতাও। বিশেষত এই ঠাণ্ডায় শরীরকে চাঙ্গা রাখতে এই ঘরোয়া ঔষধিটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। স্তরে স্তরে সাজানো এই গোলাকার সবজিটিতে প্রচুর মাত্রায় আছে ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে আছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার, ফসফরাস এবং ফলেটের মতো উপকারি উপাদানও, যা নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে। এখন প্রশ্ন হল কীভাবে খেলে এই সবজিটি থেকে সর্বোত্তম উপকার পাওয়া যেতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে রান্না করার সময় অল্প হলেও এই সবজিতে থাকা উপকারি উপাদানগুলো নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণেই রান্না করে নয়, বরং বাঁধাকপির রস বানিয়ে তা খাওয়া উচিত। এমনটা করলে সবজিটির ভেতরে থাকা প্রতিটি ভিটামিন এবং মিনারেল আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়ে যায়। ফলে মেলে নানা উপকার। আসুন জেনে ন
আনন্দের উপকরণে ব্যায়াম

আনন্দের উপকরণে ব্যায়াম

একটা সময় ছিল স্কুলের মেয়েদের ব্যাগে বই-খাতার পাশাপাশি থাকত দড়ি। স্বাভাবিক কোনো দড়ি নয়, লাফানোর দড়ি। স্কুলে এসেই প্রথম কাজ ছিল দড়ি লাফানো। সতীর্থের সঙ্গে দড়ি লাফের প্রতিযোগিতা তো ছিল প্রতিদিনের কাজ। এমনকি বাড়ির পাশের সমবয়সী মেয়েদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কমতি ছিল না। এটা ছিল শুধু আনন্দের একটি খেলা। কিন্তু এটি যে শুধু খেলা ছিল তা নয়, অজান্তেই এ দড়ি লাফের অনুশীলন শরীর গঠনে দারুণ ভূমিকা পালন করত। এসব তো স্কুলজীবনের গল্প। কিন্তু স্কুলজীবন পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কি দড়ি লাফের অধ্যায় শেষ হয়ে যাবে। না, তেমন ভাবার কোনো কারণ নেই। স্কুলজীবনের ওই দড়িই হতে পারে আপনার এই সময়ের ব্যায়ামের অন্যতম উপকরণ। আসুন দেখা যাক ঘরে কম জায়গায় অল্প দামের এই উপকরণ দিয়ে কিভাবে শরীর ঠিক রাখা যায় সেই কৌশলটি। সঠিক পোশাক নির্বাচন যেহেতু পুরো অনুশীলনটি লাফানোর, সেই কারণে পোশাকের বিষয়ে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। এ জন্য ঢিলেঢালা ন
ওজন কমিয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায় যে ৮টি সবজি

ওজন কমিয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায় যে ৮টি সবজি

ওজন থেকে সাবধান! শরীরে জমতে থাকা মেদ যদি একবার মাত্রা ছাড়িয়ে যায় তাহলেই বিপদ! সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে যাতে দেখা গেছে ওজন বাড়তে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে ডায়াবেটিস রোগ বাসা বাঁধার ঝুঁকি বাড়ে। আর এক সময়ে গিয়ে ডায়াবেটিস ডেকে আনে ক্যান্সার রোগকে। কথাটা শুনে যতই অবাক হন না কেন, দা ল্যান্সেট ডায়াবেটিস অ্যান্টি এন্ডোক্রিনোলজি পত্রিকায় প্রকাশিত এক গবেষণা অনুসারে ওজন বাড়া, সেই সঙ্গে ডায়াবেটিস যদি সঙ্গী হয় তাহলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে। আর এ কারণেই গবেষকরা ‘বি এম আই’ বা বডি মাস ইনডেক্স সব সময় ২৫ এর নিচে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাদের মতে বি এম আই এর থেকে ওপরে গেলেই বিপদ! প্রসঙ্গত, সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন নামক সংস্থা ‘ভাইটাল সাইন’ নামক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে যা লেখা রয়েছে তা শুধু কপালে ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়, ব
পেইনকিলার ট্যাবলেট খাওয়া কতটা ক্ষতিকারক জানেন কি?

পেইনকিলার ট্যাবলেট খাওয়া কতটা ক্ষতিকারক জানেন কি?

হালকা হোক কী জোরালো, ব্যথা মানেই আমাদের প্রথম পছন্দ পেইন কিলার। কিন্তু এমনভাবে ওভার দা কাউন্টার পেইন কিলার কিনে খাওয়াটা যে কতটা ক্ষতিকারক তা কি জানা আছে? সম্প্রতি নিউক্যাসেল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত হারে পেইনকিলার খেলে দেহের ওজন বাড়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। আর যেমনটা আপনাদের সকলেরই জানা আছে যে ওজন বৃদ্ধি মানেই তার সঙ্গে লেজুড় হওয়া ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো মারণ ব্যাধি। আর একবার যদি এই রোগগুলির কোনওটা শরীরে এসে বাসা বাঁধে, তাহলে যে কী হতে পারে, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না! এখানেই শেষ নয়, আরও বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়ম ছাড়া পেইনকিলার সেবন করলে ফুসফুস, পাকস্থলী, অন্ত্র, লিভার, কিডনি সহ শরীরে একধিক অঙ্গ তাদের কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলতে শুরু করে। ফলে দেখা দেয় নানা জটিল রোগ। তাই এবার আপানিই সিদ্ধান্ত নি
অস্বচ্ছলদের ক্যান্সার চিকিৎসা দেবে ডক্টরোলা

অস্বচ্ছলদের ক্যান্সার চিকিৎসা দেবে ডক্টরোলা

ক্যান্সার চিকিৎসায় আর্থিকভাবে অস্বচ্ছলদের সহযোগিতা করবে ডক্টরোলা। এ জন্য প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিঃ এর সঙ্গে সম্প্রতি একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে "ক্যান্সার কেয়ার" নামের একটি যুগান্তকারী ইনস্যুরেন্স স্কিম চালু হয়েছে। এই স্কিমের অধীনে এখন থেকে মরণব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীরা ব্যায়বহুল চিকিৎসার খরচ সহজেই মোকাবেলা করতে "ক্যান্সার কেয়ার" এর সাপোর্ট গ্রহণ করতে পারবেন, বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে হবে https://doctorola.com/faq_cancer_care এ অথবা কল করতে হবে ১৬৪৮৪ এ। উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেন ডক্টরোলা লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও মোহাম্মদ আব্দুল মতিন ইমন এবং প্রগতি লাইফ ইনস্যুরেন্স লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও মোঃ জালালুল আজিম। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কমকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।