১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

মতামত

ক্ষমা চাইতে বা নাকে খত দিতে হবে কেন?

ক্ষমা চাইতে বা নাকে খত দিতে হবে কেন?

ডিসেম্বর যেমন আমাদের বিজয়ের মাস, তেমনি গণতন্ত্রেরও মাস। ৪৬ বছর আগে পাকিস্তানিদের পরাস্ত করে আমরা বিজয় লাভ করেছি। আর ২৭ বছর আগে স্বৈরাচারকে তাড়িয়ে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি। এখন যদি সেই স্বৈরাচার গণতন্ত্রকে সবক দেয়, আস্ফালন দেখায়, নিজের শাসনামলকে শ্রেষ্ঠ বলে দাবি করে তাহলে বুঝতে হবে পরবর্তী ২৭ বছর যাঁরা দেশ শাসন করেছেন, তাঁদের কোথাও না কোথাও ভুল আছে। গণতন্ত্র ও সুশাসনের ঘাটতি আছে। স্বৈরাচারের আমলের মতোই যদি গণতান্ত্রিক শাসকেরা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর দমন-পীড়ন চালায়, তাহলে স্বৈরাচারের সঙ্গে আর তাদের ফারাক কোথায়? শুধু মুখের কথায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে পৃথিবীতে বাংলাদেশের গণতন্ত্রই এক নম্বর আসনটি দখল করে নিত। কেননা গণতন্ত্র, নির্বাচন ও গণমাধ্যম নিয়ে বছরজুড়ে এত বাক্যবর্ষণ আর কোনো দেশের নেতা-নেত্রীরা করেন বলেন জানা নেই। তবে সাম্প্রতিক কালে আরেকজন নেতা গণমাধ্যম নিয়ে হরদম কথা বলে
ফাঁস করুন, ফাঁসাতে থাকুন!

ফাঁস করুন, ফাঁসাতে থাকুন!

বাংলাদেশ আবারও বিশ্ব রেকর্ড করেছে। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশের নাম আসা উচিত। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে আমরা অনেকগুলো রেকর্ড করেছি। ক্রিকেট খেলার রেকর্ড বইয়ে যেমন বিচিত্র ধরনের রেকর্ড লেখা হয়, আমাদের বেলায়ও প্রশ্নপত্রের ফাঁসের রেকর্ড বহু বিচিত্র। বিভিন্নভাবে আমরা রেকর্ড করছি। ক্রিকেটে যেমন আপনি যদি সবচেয়ে বেশিবার শূন্য রানে আউট হন, সেটাও রেকর্ড, সবচেয়ে বেশিবার ৯৯ রান করলেও রেকর্ড, নিজের ব্যাট দিয়ে নিজের উইকেট ভেঙে দিয়েও আপনি রেকর্ড খাতায় নাম লেখাতে পারেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রেকর্ড তেমনি বহুমাত্রিক, বহুকৌণিক, বহু বিচিত্র। যেমন: সর্বকনিষ্ঠ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস। বরগুনায় প্রথম শ্রেণির প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। গতকাল ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ডেইলি স্টার-এর প্রথম পৃষ্ঠার খবর। বরগুনা সদরের ২৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণির পরিবেশ পরিচিতি এবং চত
প্রয়োজন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন

প্রয়োজন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন

গ্রামবাংলায় প্রচলিত প্রবাদ হচ্ছে- ‘কর্তার ইচ্ছায় কীর্তন’। এর সাথে আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার একটি মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন ১৪ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সদিচ্ছার নিদর্শনস্বরূপ আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার মানসে ব্যাপক অনুসন্ধানের মাধ্যমে গঠিত, নির্বাচন কমিশন নিয়োগকর্তার ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পুলিশের করা ডজন ডজন মামলার চার্জশিট ও গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামির দল বিএনপিকে নির্বাচনে শামিল করার লক্ষ্যে ১৮ মাসের এক মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনের যে ‘১৮ মাসের বছর’ তা তাদের পরিকল্পনায় প্রকাশ পেয়েছে। ভুক্তভোগী ভোটারেরা জানেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন ১৪ দল ও জামায়াতের ১৯৯৪-’৯৬ সালের দাবি অনুযায়ী, গঠিত নির্বাচনকালীন অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ১৯৯৬ সালের ৩১ মার্চ শপথ গ
সেই ডাক হরকরাদের ফেরাতে চায় ইসি

সেই ডাক হরকরাদের ফেরাতে চায় ইসি

‘করুণা করে হলেও চিঠি দিও, খামে ভরে তুলে দিও/আঙ্গুলের মিহিন সেলাই/ভুল বানানেও লিখো প্রিয়, বেশি হলে কেটে ফেলো তাও, এটুকু সামান্য দাবি, চিঠি দিও, তোমার শাড়ির মতো/অক্ষরের পাড়-বোনা একখানি চিঠি।’ কবি মহাদেব সাহা’র ‘চিঠি দিও’ কবিতার মতো তার প্রেমিকাকে এভাবে বলে না এখন আর কেউ। হারিয়ে গেছে চিঠি! সাইকেলের বেল বাজিয়ে ডাক পিয়নের ‘চিঠি এসেছে…চিঠি…’ এমন কথাও আর শোনা যায় না। সঙ্গত কারণেই ডাক বিভাগেরও এখন সেই ব্যস্ততা নেই। বলা যায়, চিঠি শূন্য এখন ডাকঘর। আধুনিক প্রযুক্তির ভিড়ে ঝিমিয়ে পড়া রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটিতেই এবার প্রাণ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) কিংবা ভোটার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সারাদেশে আনা-নেয়ার ক্ষেত্রে বার্তা বাহক হিসেবে ডাক বিভাগকে কাজে লাগানোর কথা ভাবছে সংস্থাটি। বাঙালির বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এ সংক্রান্ত চুক্তির প