১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ২০

চট্টগ্রামে নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে আটক ২০

চট্টগ্রামে নগরীর কোতয়ালি থানার লালদীঘি ময়দান এলাকা থেকে ২০ শিবিরের নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।  বিজয় দিবসে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে আজ সকালে তাদের আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রাম শহীদ মিনারে নাশকতা সৃষ্টি করতে লালদীঘি ময়দান এলাকায় শিবিরের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী জড়ো হয়। বিষয়টি টের পেয়ে সেখানে গেলে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যের ধস্তাধস্তি হয়। পরে অভিযান চালিয়ে লালদীঘি ময়দান এলাকা থেকে ২০জনকে আটক করা হয়েছে।
বাবার কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত মহিউদ্দিন চৌধুরী

বাবার কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত মহিউদ্দিন চৌধুরী

চট্টগ্রাম নগরীর চশমা হিলে বাবার কবরের পাশে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র চট্টল বীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে। ষোলশহরের চশমাপাহাড় জামে মসজিদের সামনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে শুক্রবার  সন্ধ্যায় পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে বাদ আসর বন্দরনগরীর ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে সাবেক মেয়রের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার আগে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিনের মরদেহে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। উল্লেখ্য গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত ভোররাতে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ডায়াবেটিস রোগের সমস্যায় ভুগছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী।
লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি চট্টল বীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার বাদ আসর ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি, পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বরিশাল-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা ও সাবেক এমপি জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.  ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু ম
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে চশমাহিলে জনস্রোত

মহিউদ্দিন চৌধুরীকে দেখতে চশমাহিলে জনস্রোত

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবারের মতো দেখতে বন্দরনগরীর ষোলশহরের চশমাহিলের বাড়িতে জনস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকেই প্রিয় নেতাকে দেখতে সেখানে ভিড় জমান চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। সেখানে অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। জুমার নামাজের পর জনতার ভিড় আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে। মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবার দেখতে তার বাসায় আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রামের সাংসদ আফসারুল আমীন, সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ ছালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধু
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন চট্টগ্রামবাসী

মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন চট্টগ্রামবাসী

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন বন্দরনগরীর রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষ। শুক্রবার বিকাল ৩টায় নগরীর কোতোয়ালির দারুল ফজল মার্কেটে মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রথম দফায়  দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন চট্টলবীরখ্যাত এ নেতা। সেখানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কিন্তু দলীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত ভিড় বেড়ে যাওয়ায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে। সেখানে দ্বিতীয় দফায় শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ। বাদ আসর লালদিঘী ময়দানেই মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর পর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে চশমাহিলের বাড়িতে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা হোসেন আহমেদ চৌধুরীর ক
রাজধানীতে গলায় ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে গলায় ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার গোয়ালটেক এলাকা থেকে রাশেদুল আলম রাসেল (২৫) নামে এক যুবকের গলায় ফাঁস দেওয়া লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে লাশটি উদ্ধার করে দক্ষিণখান থানা পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। রাসেল চট্রগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলার বেতগুয়া গ্রামের মৃত শামসুল আলমের ছেলে। বর্তমানে তিনি দক্ষিণখান গোয়ালটেক এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানা গেছে। পরিবারের বরাত দিয়ে দক্ষিণখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আ. ওয়াদুদ জানান, রাসেল এক বছর আগে জুঁই আক্তার জ্যোতি নামে একটি মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে বনিবনা না হওয়ায় দুই মাস আগে স্ত্রী জুঁই তাকে তালাক দেন। পরে মঙ্গলবার রাতে নিজ কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রাসেল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের
বিচারের আওতায় আসছেন ডিবির সেই ৭ পুলিশ

বিচারের আওতায় আসছেন ডিবির সেই ৭ পুলিশ

কক্সবাজারের টেকনাফে এক ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাতজনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাদের আসামি করে ডিসেম্বরের মধ্যেই অভিযোগপত্র দাখিলের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে সংস্থাটি। ফলে এই অপরাধে জড়িত সেই সাত পুলিশ বিচারের আওতায় আসছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.মনিরুজ্জামান বলেন, তদন্ত প্রায় শেষ। চলতি মাসেই প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ মাসে সম্ভব না হলে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করা হবে। ব্যবসায়ী গফুরকে কক্সবাজার শহর থেকে আটকের পর টেকনাফে নিয়ে ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই টাকা নিয়ে ফেরার পথে গত ২৫ অক্টোবর ভোরে সেনাচৌকিতে তল্লাশির মুখে পড়েন ডিবি পুলিশের সদস্যরা। গাড়িতে
২৯ রোহিঙ্গা নারীর মুখে ধর্ষণযজ্ঞের বর্ণনা

২৯ রোহিঙ্গা নারীর মুখে ধর্ষণযজ্ঞের বর্ণনা

সেনারা আসতো রাতের অন্ধকারে। প্রায়ই আসতো। জুন মাসের এমন এক রাত। পশ্চিম মিয়ানমারের কোনো এক গ্রামে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন সদ্যবিবাহিত এক দম্পতি। আচমকা সদলবলে তাদের শোবার ঘরে ঢুকে পড়লো সাত বর্মী সেনা। ভয়ে আড়ষ্ঠ হয়ে গেলেন নববধূ এফ (নামের আদ্যাক্ষর)। তার আর কিছু বুঝতে বাকি রইলো না। তিনি জানতেন, সেনারা রোহিঙ্গা গ্রামগুলোতে হামলা চালাচ্ছে। ক’দিন আগেই তার পিতা-মাতাকে হত্যা করেছে সেনারা। ভাইয়ের খোঁজ মেলেনি। এ দফায় বর্মী বাহিনীর টার্গেট সে। সেনারা এফের স্বামীকে বেঁধে ফেলে দড়ি দিয়ে। তার মাথা থেকে স্কার্ফ টান দিয়ে খুলে ফেলে তা দিয়ে মুখ বেঁধে দেয়। কেড়ে নেয় শরীরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার। পরনের পোশাক ছিঁড়ে তাকে ছুড়ে ফেলে  মেঝেতে। পালাক্রমে ধর্ষণযজ্ঞ চালায় মানুষরূপী পশুগুলো। এর মাঝে চলেছে লাঠি দিয়ে প্রহার। পাশেই শূন্যদৃষ্টিতে নিজের স্ত্রীর সম্ভ্রম হরণ হতে দেখলেন অসহায় স্বামী। এরপর এক সেনা এফ-এর স্বামীর বুকে গুলি চাল
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ এক সপ্তাহ স্থগিত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ বিতরণ এক সপ্তাহ স্থগিত

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘অতিরিক্ত’ ত্রাণ বিতরণের সুযোগে অনেকে তা মজুদ করছে জানিয়ে ‘অপচয়’ রোধে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে বলেছে স্থানীয় প্রশাসন।   খবর বিডিনিউজের। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহম্মদ আশরাফ হোসেন (শিক্ষা ও আইসিটি) স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। রোহিঙ্গাদের মধ্যে ১১ থেকে ১৭ ডিসেম্বর খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট সব বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে অনুরোধ করা হয় সেখানে। পরিপত্রে বলা হয়, “বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের মাঝে প্রায় বেশিরভাগ এনজিও ত্রাণ হিসেবে খাদ্য বিতরণ করছে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অধিক পরিমাণ খাদ্য সামগ্রী এবং নন ফুড আইটেম রোহিঙ্গাদের দ্বারা সংরক্ষিত হচ্ছে ও অপচয় হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। ” কক্সবাজারে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার, পুলিশ সুপার, সিভিল স
২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মহেশখালীতে নির্মাণ হচ্ছে” ২শ’ ৫৭ বাড়ি “

২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মহেশখালীতে নির্মাণ হচ্ছে” ২শ’ ৫৭ বাড়ি “

প্রধাানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত আশ্রয়াণ-২ প্রকল্পের ‘যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ উপ-খাতের আওতায় কক্সবাজারের উপকূলীয় দ্বীপ মহেশখালী উপজেলায় হতদরিদ্র ও দিনমজুরদের জন্য ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ শত ৫৭টি টিনসেড বাড়ির নির্মাণ কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস এই বাড়ি নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। চলতি মাসের শেষের দিকেই ২ শত ৫৭টি বাড়ির নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। নিজের একখ- জমির উপর সম্পূর্ণ সরকারী উদ্যোগে তৈরি করে দেয়া হচ্ছে এসব বাড়ি। মূলত গৃহহীন, অতিদরিদ্র ও ভিক্ষুকরাই পাবেন এসব সরকারী বাড়ি। মহেশখালী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউল আলম সাকিব জানান, এই প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী উপজেলায় পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে পৌরসভায় ৪৯টি, বড় মহেশখালী ইউনিয়নে ২৪টি, কুতুবজোম