১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

পাঁচফোড়ন

এবার ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর সঞ্চালক সানি লিওন!

এবার ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর সঞ্চালক সানি লিওন!

পর্নস্টার থেকে বলিউড অভিনেত্রী। পাশাপাশি টেলিভিশনের রিয়্যালিটি শোতে সঞ্চালনা। সানি লিওনকে আরও নানা রূপে দেখা বাকি রয়েছে দর্শকদের। কয়েক দিন আগেই মীনাকুমারীর বায়োপিকে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সানি। তবে এবার শুধু ইচ্ছে প্রকাশ করেই ক্ষান্ত হওয়া নয়, বরং সত্যি সত্যিই হাতে চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো খবর প্রকাশ পেল। জনপ্রিয় শো ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর ভারতীয় সংস্করণে সঞ্চালক হিসেবে দেখা যাবে সানি লিওনকে। সূত্রের খবর, ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর ২০১৮ প্রিমিয়ারে সানিকে শুধু সঞ্চালিকা হিসেবে নয়, বিভিন্ন স্টান্টও করতেও দেখা যাবে। ‘ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড’-এর আসল শো'টির সঞ্চালক বেয়ার গ্রিলস। এই অনুষ্ঠানে প্রকৃতির নিয়ম মেনে, চরম পরিস্থিতিতে কী ভাবে বাঁচতে হয় তারই বিভিন্ন কৌশল দেখানো হয়। বেয়ার পৌঁছে যান বিশ্বের নানা প্রান্তে, যেখানে হয়তো আরশোলা বা ব্যাঙ কাচা খেয়েই দিন কাটাতে হয়। প্রকৃতির নানা প্রত
উইকি প্রতিযোগিতায় সেরা ১০-এ বাংলাদেশের দুটি ছবি

উইকি প্রতিযোগিতায় সেরা ১০-এ বাংলাদেশের দুটি ছবি

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া আয়োজিত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে ছবি তোলার সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা ‘উইকি লাভস মনুমেন্টস (ডব্লিউএলএম)’-এর চূড়ান্ত বিজয়ী তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের দুটি ছবি। চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী সেরা ১০টি ছবির মধ্যে বাংলাদেশের আজিম খান রনির তোলা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ছবি তৃতীয় এবং জুবায়ের বিন ইকবালের তোলা বায়তুল মোকাররমের আরেকটি ছবি ৭ম হয়েছে। চলতি বছর এ প্রতিযোগিতায় ৫৪টি দেশের ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী ২,৪৫,০০০ ছবি আপলোড করেছেন। প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বিজয়ী ১২০০ ইউরো সমমূল্যের ক্যামেরা সংক্রান্ত যন্ত্রাদি এবং সপ্তম বিজয়ী ৪০০ ইউরো সমমূল্যের যন্ত্রাদি কেনার সুযোগ পাবেন। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত এ ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পর্বে ১১৯ জন অংশগ্রহণকারী প্রায় ৩০০০
একটি কালো মুরগির দাম ২ লাখ টাকা!

একটি কালো মুরগির দাম ২ লাখ টাকা!

কেমন মুরগি পছন্দ আপনার? যদি এমন প্রশ্ন করা হয় তাবে খুব কম মানুষই হয়তো কালো রংয়ের মুরগির কথা বলবেন। অথচ পৃথিবীর সবচেয়ে দামী মুরগির বর্ণ কালো। শুধু কালো বললে ভুল হবে- কারণ এই মুরগির গায়ের পেখম পাখনা থেকে শুরু করে ঠোঁট পা নখ সবই কালো। এমনকি মাংস, হাড্ডি ও নাড়িভুড়িও কালো রংয়ের। কেবল রক্তই যা লাল। একেবারে স্বতন্ত্র জাতের এই মুরগিরর নাম ‘জেট ব্ল্যাক’ আয়্যাম কেমানি চিকেন। এই জাতটির আদি ঠিকানা ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের কেমানি নামক এলাকা। ২০১৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ব্রিডার পল ব্রাডশো এই কালো মুরগি বিক্রি শুরু করেছেন। সে সময়ই একেকটি মুরগির ২৫০০ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখের বেশি টাকা) দরে বিক্রি করেছেন তিনি। ব্রিডার এই কালো মুরগির নাম রেখেছেন ‘ল্যাম্বরগিনি পোল্ট্রি’। বিজ্ঞানীদের মতে, কালো টিস্যুর প্রাবল্যের এই জেনেটিক পরিস্থিতির ‘ফাইব্রেমেলানোসিস’ নামে পরিচিত। এই জাতটির সঙ্গে
রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

রোগীদের লিভারে স্বাক্ষর করে আদালতে শল্যচিকিৎসক

রোগীদের লিভারের ওপর খোদাই করা ব্রিটেনের এক বিখ্যাত সার্জন সাইমন ব্রক্ষলের নামের দু’টি আদ্যক্ষর মিলেছে। ‘SB’ লেখা সেই স্বাক্ষর নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হয়েছে বার্মিংহাম সহ গোটা ব্রিটেনে। মামলা দায়ের হয়েছে বিশিষ্ট শল্যচিকিৎসক ব্রক্ষলের বিরুদ্ধে। আদালতে প্রশ্ন উঠেছে, কোনও অনুমতি ছাড়া অপারেশন থিয়েটারে অচৈতন্য রোগীর শরীরে কি কেউ তার নামের আদ্যক্ষর খোদাই করে দিতে পারেন? তা কি দণ্ডনীয় অপরাধ নয়? কিন্তু ঘটনা হল, দণ্ডনীয় কি না, হলে তার দণ্ড কী, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আদালতও। যেহেতু এমন ঘটনা ব্রিটেন কেন, গোটা বিশ্বে ঘটেনি এর আগে। ফলে, আইনের বইতেও লেখা নেই তার দণ্ড কী হতে পারে। সেই শল্যচিকিৎসক সাইমন ব্রক্ষল জানিয়েছেন, এটা তার একটা শখ। রোগীদের শরীরে অস্ত্রোপচারের সময় তিনি তার নামের আদ্যক্ষর দু’টি লিখে রাখেন, কাজটা যে তারই করা, তার প্রমাণ হিসাবে। ৫৩ বছর বয়সী চিকিৎসক ব্রক্ষল গত ১২ বছর ধরে যথেষ্ট
সাপ-বাঘের সঙ্গে সুখের সংসার

সাপ-বাঘের সঙ্গে সুখের সংসার

ভারতের নাগপুর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে মহারাষ্ট্রে এক প্রত্যন্ত গ্রামের নাম হেমলকাসা। এই ছোট্ট গ্রামেই রয়েছে এক যৌথ পরিবার। সেখানে থাকে ৯০ জন সদস্য। তবে এই সংখ্যা কিন্তু থেমে থাকার নয়। বাচ্চাদের সংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। কিন্তু এই বৃহৎ পরিবারের সদস্য কারা জানেন? এই পরিবারকে কারা সামলাচ্ছেন? কারা রয়েছেন ভরণপোষণের দায়িত্বে? উত্তর হচ্ছে- ড. প্রকাশ এবং মন্দাকিনী আমতে। ৫০ একর জমিতেই গড়ে উঠেছে আমতেজ অ্যানিমেল আর্ক। এই আর্ক হল গত ৪৫ বছরে পশু পাখিদের স্থায়ী আস্তানা। ময়ূর, হরিণ, বাঘ, ভাল্লুক, কুমীর, হায়না কাকে চাই আপনার? ভয়ঙ্কর ভাল্লুক, হায়না যাকে দেখলে রক্ত জল হয়ে যাবে যে কোনো মানুষের, সেখানে আমতে পরিবার তার সঙ্গে খেলায় মত্ত। গৃহপালিত প্রাণীদের পাশাপাশি আমতে পরিবারের ভালোবাসা এবং স্নেহে বন্য পশুরাও যেন হয়ে উঠেছে পরিবারের সদস্য, যেখানে প্রত্যেকেই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
দেয়াল ভেঙে বের করা হলো এই নারীকে

দেয়াল ভেঙে বের করা হলো এই নারীকে

অনেকদিন ধরে ঘরে বসেই দিন কাটাচ্ছিলেন বিশ্বের অন্যতম ভারী নারী ইসাবেল্লা আমারাল। তবে চিকিৎসার জন্য তাকে সম্প্রতি বাসার বাইরে নিয়ে আসার প্রয়োজন পড়ে। এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেখেন বাসার দরজা দিয়ে তাকে বের করে আনা সম্ভব নয়। তাই বাসার দেয়াল ভেঙে প্রায় ৪৯০ কেজি ওজনের এই নারীকে বের করা হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি স্টার ইউকে’তে তাকে নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭৭ স্টোন ওজনের ইসাবেল্লা আমারাল নামের এই নারীকে তার ওজনের জন্য গত ছয় মাস ধরে বিছানাতেই থাকতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইসাবেল্লার চিকিৎসক আদ্রিনা চ্যাপলেট বলেন, ইসাবেল্লাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং তাকে পর্যবেক্ষণ করছি আমরা। তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু আপাতত নেই বলেও জানান এই চিকিৎসক। অন্যদিকে তার পরিবারের দাবি, ইসাবেল্লাকে আর বাসায় রেখে চিকিৎসা দেয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। চিকিৎসকরা এখন তাকে গ্যাস্ট্রিক ব্যান্ড দিয়ে ও
এই বয়সেও মডেলিং!

এই বয়সেও মডেলিং!

বয়স ৩০ ছুঁই ছুঁই করলেই ঘনঘন আয়নার সামনে দৌড়ান? রিঙ্কলস্, ডার্ক সার্কল নিয়ে রীতিমতো গবেষণা শুরু করে দেন? ওজন কমাতে শুরু করে দেন গালভরা বিভিন্ন ডায়েট? কিন্তু এতসবের পরেও বয়সের গাড়ির স্পিড কমছে না তো? তাহলে একবার ভাবুন এই মডেলের কথা- ৬০ বছর বয়সেও ফটোশ্যুটে ঝড় তুললেন এই মডেল৷ সাদা সাঁতারের পোশাকে যেভাবে একের পর এক ভঙ্গিতে ফ্রেমবন্দি হলেন তিনি, তাতে চোখ ধাঁধিয়ে যেতে বাধ্য অনেকেরই৷ তার নাম ইয়েজমিনাহ রসি৷ স্যুইমস্যুটে তাঁর এই ফটোশ্যুটে তিনি ধরা দিয়েছেন একেবারে কম মেক আপে৷ তার এই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
রোগ প্রতিরোধে ভূতের সিনেমা

রোগ প্রতিরোধে ভূতের সিনেমা

ভূতের মুভি মনের ওপর মারাত্মকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে- এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। ভূতের মুভি দেখার বেশি কিছু ইতিবাচক দিকও কিন্তু আছে। সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হল, এতে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। এছাড়া ভূতের মুভি দেখলে ওজনও কমে থাকে! ইংল্যান্ডের কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সম্প্রতি এমন তথ্যই জানিয়েছেন। ‘স্ট্রেস’ নামে প্রকাশিত জানালের সাম্প্রতিক সংখ্যায় গবেষকদের এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা অন্ধকার ঘরে কয়েকজনকে বন্দি করেন। প্রচণ্ড ভয়ের একটি ভূতের সিনেমা দেখানো হবে বলে তাদের জানানো হয়। অতর্কিত এই ‘শক’-এর জন্য প্রস্তুত ছিলেন না কেউই। সিনেমা শুরুর আগে প্রত্যেকের রক্তের নমুনা নেওয়া হয়। বিরতি চলাকালীন দ্বিতীয়বারের জন্য দর্শকদের রক্তের নমুনা নেন গবেষকরা। সিনেমা শেষে ফের একবার নমুনা সংগৃহীত হয়। অদ্ভুতরকম ভাবে শেষ নমুনাটিতে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বেড়ে যেতে দেখা
সমুদ্র তলদেশে পৃথিবীর প্রাচীনতম চোখের সন্ধান!

সমুদ্র তলদেশে পৃথিবীর প্রাচীনতম চোখের সন্ধান!

পৃথিবীর জন্ম কিংবা এর ইতিহাস নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। যত দিন যাচ্ছে মানুষ ততই পৃথিবীর ইতিহাসকে আবিষ্কার করছে। আর তারই জের ধরে সম্প্রতি একদল গবেষক সমুদ্রের নিচ থেকে আবিষ্কৃত জীবাশ্মের মধ্যে পৃথিবীর প্রাচীনতম চোখ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন। গবেষকদের দাবি, ৫৩ কোটি বছর আগে সমুদ্রে নিচে বিলুপ্ত প্রাণীর জীবাশ্ময় এই চোখ ছিল। ইংল্যাণ্ডের ইডেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি, আবিষ্কার করা জীবাশ্মের এই চোখের সঙ্গে বর্তমান অনেক প্রাণীর মিল খুঁজে পাওয়া গেছে। বিশেষ করে কাঁকড়া, মৌমাছি এবং ফড়িং সঙ্গে আবিস্কৃত বিলুপ্ত প্রাণীর জীবাশ্মের চোখের সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে বলে দাবি গবেষকদের। ইংল্যাণ্ডের ইডেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দীর্ঘ দিন ধরে সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকার কীট-পতঙ্গ নিয়ে গবেষণা করছেন। প্যালিওজোয়িক যুগের আবিষ্কার হওয়া জীবাশ্মের সঙ্গে সমুদ্র এলাকার মাকড়শা এবং কাঁকড়ার পূর্বপুরুষ বলে
পর্ন ছবির যেসব কঠিন সত্য কখনই সামনে আসে না

পর্ন ছবির যেসব কঠিন সত্য কখনই সামনে আসে না

বিশ্বের বিরাট সংখ্যক মানুষ পর্নের প্রতি আসক্ত। কিন্তু এই পর্ন ইন্ডাস্ট্রির কিছু কঠিন সত্য কখনই সামনে আসে না। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো পর্ন ছবির সেই সব কঠিন সত্য সম্পর্কে বিস্তারির যা কখনই সামনে আসে না, থাকে ক্যামেরার পেছনে- ১। পর্নতারকারা ইদানীং যা পারিশ্রমিক পান, তা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেন না। বহুক্ষেত্রেই প্রযোজনা সংস্থা বা পরিচালকের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। আশি বা নব্বইয়ের দশকেও এই সমস্যাটা ছিল না। ২। একদশক আগেও এই ব্যবসায়ে যা লাভ হত, ইদানীং তা আর হয় না। এর জন্য অধিকাংশ ফ্রি পর্নসাইটকেই দায়ী করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে তৃতীয় বিশ্ব থেকে ক্রমাগত এমএমএস আপলোড পর্ন ইন্ডাস্ট্রিকে বিপুল বিপদে ফেলেছে। ৩। বলা বাহুল্য, এই ইন্ডাস্ট্রিতে যারা আসেন, তারা জেনে বুঝেই আসেন। এখানকার স্টারডম একেবারেই সাধারণ ছবির জগতের মতো নয়। খুব বেশিদিন পর্নে অভিনয় করেছেন, এমন উদাহরণ খুব কম।