১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

ধর্ম

প্রশান্তির ঘুম : ইসলামী পদ্ধতি

প্রশান্তির ঘুম : ইসলামী পদ্ধতি

পৃথিবীর সব মানুষের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মাধুর্য চরিত্রের অধিকারী হলেন মুহাম্মদ সাঃ। মানব জাতির প্রত্যেক বিষয়ের উপযোগী শিক্ষা ও সমাধান দিয়েছেন তিনি। তিনি উত্তম আদর্শের বাতিঘর। জাতি সভ্যতার সেরা শিক্ষক। বিশুদ্ধ অন্তর গড়ার কারিগর। তাঁর শিক্ষা সংস্কৃতিতে নিহিত আছে মানব ভব্যতার পাঠ। তিনি অনুসরণীয়। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন রাষ্ট্র পরিচালনা থেকে শুরু করে পরিবার পরিচালনা পর্যন্ত। তাঁর শুদ্ধময় জীবনের নানা বিষয়াদী থেকে এখানে ঘুমের পরিশুদ্ধ পদ্ধতির আলোকপাত করা হবে। ইনশাআল্লাহ। ঘুমানোর পূর্বে অজু :  অজু পবিত্রতার পর্ব।  বরকত হাসিলের মাধ্যম। ধর্মীয় ফরজ ও অন্যান্য কাজ প্রারম্ভের প্রথম খুঁটি। ঘুমানোর আগে অজু করা স্বাস্থের সৌন্দর্য ও শরীর পরিস্কারের জন্য নিয়ামক। অজুকালে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা গেলে শহিদি মর্যাদার অধিকারী। এক হাদিসে বিধৃত হয়েছে, 'অজু থাকাবস্থায় কেউ মারা গেলে, তাকে শহিদের  মর্যাদা দেয়া হবে। ' অধিকন্
বিশ্বনবী আরব দেশে এসেছেন কেন?

বিশ্বনবী আরব দেশে এসেছেন কেন?

মহানবী (সা.)-কে বিশ্ব মানবতার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। তিনি যেমন আরবের নবী, তেমনি আমেরিকার নবী, তেমনি আফ্রিকার নবী, তেমনি বাংলাদেশের নবী, তেমনি ভারতের নবী, তেমনি চীনের নবী। তিনি গোটা বিশ্বের নবী। ইরশাদ হয়েছে, 'পরম কল্যাণময় তিনি, যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফয়সালার গ্রন্থ অবর্তীণ করেছেন, যাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হতে পারে । ' (সুরা ফুরকান, আয়াত : ১) অন্য আয়াতে এসেছে, 'বলে দাও, হে মানবমন্ডলী। তোমাদের সবার প্রতি আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসুল, গোটা আসমান ও জমিনে যাঁর রাজত্ব। ' (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৫৮) প্রশ্ন হলো, মহানবী (সা.) যদি বিশ্বের নবী হন, তাহলে শুধু আরবে কেন এসেছেন? এর কয়েকটি কারণ রয়েছে। প্রথমত, ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে মক্কা ও আরব উপদ্বীপ এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত। মক্কানগরী পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় মহান আল্লাহ কাবাঘর মক্কায়ই স্থাপন করেন। ভৌগোলিকভাবে সৌদি
ইসলামে নারী জাতির মর্যাদা

ইসলামে নারী জাতির মর্যাদা

নারী জাতির ধর্মীয় অধিকার : বিভিন্ন ধর্মে যেখানে নারীকে সব পাপের উৎস বা শয়তানের প্রবেশদ্বার প্রভৃতি বলা হয়েছে, সেখানে ইসলাম নারীকে অমূল্য সম্পদ, পুরুষের অর্ধাঙ্গিনী, পুরুষের ভূষণ ইত্যাদি বিশেষণে আখ্যায়িত করেছে। আর অধিকারের প্রশ্নে নারীকে কোথাও পুরুষের চেয়ে বেশি অধিকার এবং  কোথাও সমান অধিকার দেওয়া হয়েছে। তেমনি আমলের ক্ষেত্রে নারীরা পরিপূর্ণ প্রতিদান পায়। এ সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন— যে-ই নেক কাজ করবে, পুরুষ হোক বা নারী এমতাবস্থায় যে, সে মুমিন, তাহলে আমি অবশ্যই তার প্রতিদান দিব যেরূপে আমল করেছে তার চেয়ে উত্তমভাবে। (সূরা নাহল, আয়াত নং ৯৮)। নারীর অর্থনৈতিক অধিকার : ইসলাম নারী জাতিকে পরিপূর্ণ মালিকানা অধিকার প্রদান করেছে। তাই নারীরা পুরুষদের মতোই জমিজমা, ধনদৌলত, কলকারখানা, দোকানপাট, বাড়ি-গাড়িসহ যে কোনো প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারে। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন— পুরুষ
উম্মত হল একটি দেহের মত : ইয়েমেন

উম্মত হল একটি দেহের মত : ইয়েমেন

পৃথিবীতে তিনটি জায়গা এমন আছে, যেখানে মুসলিমরা চরমভাবে নিগৃহীত হলেও খুব অল্পই তাদের ব্যাপারে জানে ও স্পষ্ট ধারণা রাখে। সেই তিনটি অঞ্চল নিয়েই তিন পর্বের ছোট রিমাইন্ডার লিখছি ইন-শা-আল্লাহ। আমাদের কোনো ভাইবোনই যেন অন্তত দুআ থেকে বঞ্চিত না হোন, যদিও প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছুই ফারজিয়্যাত হয়েছে অনেক পূর্বেই। আজকের পর্ব ইয়েমেন নিয়ে। স্মরণকালের ভয়াবহতম দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ আর কলেরায় আক্রান্ত ইয়েমেন। কারণ খতিয়ে দেখতে গেলে কিছুটা পিছিয়ে যেতে হয়। সাধারণ সেক্যুলার মিডিয়াগুলো ২০১৪ তে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ থেকে সবকিছুর সূত্রপাতের ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু বাস্তবে ইয়েমেনে মুজাহিদরা সাধারণ মানুষের মধ্যে দাওয়াতি কাজ বহু আগে থেকেই জারি রেখেছিলেন। আর পশ্চিমাদের প্রক্সি শাসকেরা সেক্যুলার শাসনও জারি রেখেছিল আগে থেকেই। ২০১১ সালে আমেরিকা তার নিজ দেশের নাগরিক ইমাম আনওয়ার আল আওলাকিকে (রহিমাহুল্লাহ) মিসাইল হামলা করে শহীদ করে
হতাশ হয়ো না- আল্লাহ তোমার কণ্ঠ শুনতে চান তোমার দু’আর মাধ্যমে

হতাশ হয়ো না- আল্লাহ তোমার কণ্ঠ শুনতে চান তোমার দু’আর মাধ্যমে

পাপে ফিরে যাওয়ার পেছনে রয়েছে হতাশা। যখন আমাদের মনে হতাশা এসে ভর করে তা যেকোনো মুহূর্তে আমাদের সিদ্ধান্তগ্রহণের ক্ষমতা দূর্বল করে দেয়। কিছু উদাহরনঃ ক. আপনার হারাম চাকরিটা বিদায় দিলেন। তওবাহ করলেন। আপনি বেকার। নিজের জন্য হালাল কর্মসংস্থান খুঁজছেন। কিংবা খ. আপনি প্রেম করতেন। সেখান থেকে তওবাহ করলেন। নিজেকে তৈরি করছেন পুতঃপবিত্র একজনের জন্য। আপনি অপেক্ষা করছেন আল্লাহর উপর ভরসা করে। কিংবা গ. আপনি অশ্লীল মুভি-গানে মত্ত ছিলেন। আল্লাহর জন্য তওবাহ করে ফিরে এলেন। কিংবা আরো অনেক কিছু থেকে ফিরে এলেন। বিদায় দিলেন পাপকে। শয়তান এসে ওয়াসওয়াসা দিল। এবার আপনি তাকিয়ে দেখছেন ভিন্ন কিছু। দেখলেন অপেক্ষায় আর আপনার কুলাচ্ছে না। অনেকের অনেক কথা শুনতে হয়। আপনার ধৈর্যচ্যুতি ঘটলো। আপনি হতাশ হয়ে গেলেন। সম্পূর্ণ হতাশ। কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। ভেঙে পড়লেন। আপনি আবার পাপে নিমজ্জিত হলেন। ফিরে গেলেন সুদে জড়িত হারাম চাকরিট
আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হল দিনাজপুরের ইজতেমা

আমিন আমিন ধ্বনিতে শেষ হল দিনাজপুরের ইজতেমা

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনা করে দিনাজপুরে আখেরী মোনাজাতে অংশ নেয়া লাখ লাখ মানুষের আমিন আমিন ধ্বনির মধ্য দিয়ে আঞ্চলিক ইজতেমা শেষ হয়েছে। আখেরী মোনাজাতে সর্বস্তরের মানুষের ঢল নামে। জেলা শহর ও আশপাশের এলাকার পুরুষ, নারী, বৃদ্ধ, শিশুসহ সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মানুষ এ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।  মোনাজাত পরিচালনা করেন কাকরাইলের মুরব্বি ও বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের আমির (জিম্মাদার) মাওলানা মো. রবিউল হক। ১২ থেকে ১২টা ১১মিনিট পর্যন্ত এ মোনাজাতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল মুসলমানদের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা কামনা করা হয়।শনিবার সকাল থেকে দিনাজপুর বড়মাঠের ইজতেমায় সমবেত হন কয়েক লাখ মানুষ। বেলা ১০টার মধ্যে ইজতেমা মাঠ ভরে পাশের শিশু পার্ক, পুলিশ সুপার অফিসের রাস্তা ও আশপাশের ফাকা এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে ঊঠে। পরিণত হয় জনসমুদ্রে। মোনাজাতে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষের দাবি দিন
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নেত্রকোনায় র‌্যালি

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নেত্রকোনায় র‌্যালি

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে নেত্রকোনায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মোক্তারপাড়া ইসলামিক ফাইন্ডেশনের উদ্যোগে পৌর শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ইসলামী ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় র‌্যালিতে নেতৃত্বদেন জেলা প্রশাসক ড. মুশফিকুর রহমান।পরে ইসলামী ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক শফিকুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক ড. মুশফিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম ও মাওলানা আহমাদুল হকসহ অন্যান্যরা।  র‌্যালি ও আলোচনা সভায় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। এ ছাড়াও জেলাভিত্তিক বার্ষিক সবীনা খতম, ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার, ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরিশালে র‌্যালি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরিশালে র‌্যালি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরিশালে বর্ণাঢ্য র‌্যালি এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর বগুড়া রোডের জাকের পার্টির কার্যালয় চত্ত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় জাকের পার্টির কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।  পরে জাকের পার্টি কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে জাকের পার্টি অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন।
কুরআনে সুন্দর মৃত্যুর কথা

কুরআনে সুন্দর মৃত্যুর কথা

সবাইকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে একদিন। তাই সবারই প্রত্যাশা তার মৃত্যুটা যেনো সুন্দর হয়, সুন্দর একটি দিনে হয়। রাসুল সা. বলেছেন:- আল্লাহ যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন তাকে (ভাল) কাজে লাগান। সাহাবায়ে কেরাম জানতে চাইলেন, কিভাবে আল্লাহ বান্দাকে (ভাল) কাজে লাগান? তিনি বলেন : মৃত্যুর পূর্বে তাকে ভাল কাজ করার তাওফিক দেন। (মুসনাদে আহমাদ-১১৬২৫, তিরমিযি-২১৪২) আল্লাহ তায়ালা যদি কোন বান্দার কল্যাণ চান তখন সে বান্দাকে ‘আসাল’ করেন। সাহাবায়ে কেরাম বলেন: আসাল কি? তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে বিশেষ একটি ভাল কাজ করার তাওফিক দেন এবং এই আমলের উপর তার মৃত্যু ঘটান। (মুসনাদে আহমাদ-১৭৩৩০) আল্লাহ তায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ, অতঃপর তাতেই অবিচল থাকে, তাদের কাছে ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং বলে, তোমরা ভয় পেও না, চিন্তিত হইও না এবং তোমরা প্রতিশ্রুত জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর। (সূরা
নবী (সা.) ছিলেন অনুপম চরিত্রের অধিকারী

নবী (সা.) ছিলেন অনুপম চরিত্রের অধিকারী

আল্লাহপাক নবী (সা.) কে অনুপম চরিত্র মাধুরী দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। চারিত্রিক সৌন্দর্যে তিনি ছিলেন সমস্ত সৃষ্টির সেরা। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক তার চরিত্রের প্রশংসা করে ইরশাদ করেছেন: নিসন্দেহে আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী। (সূরা আল কালাম-৪) এ আয়াতটির দুটি অর্থ। একটি হলো, নবী (সা.) ছিলেন নৈতিক চরিত্রের সর্বোচ্চ মানের ওপর অধিষ্ঠিত। তাই তিনি আল্লাহর বান্দাদের হিদায়াতের কাজে এতো দুঃখ-কষ্ট বরদাশত করেছেন। একজন দুর্বল নৈতিক চরিত্রের মানুষ এ কাজ করতে সক্ষম হতো না। অন্যটি হলো,কাফেররা নবী (সা.) এর প্রতি পাগল হওয়ার যে অপবাদ আরোপ করেছে তা মিথ্যা হওয়ার আরেকটি সুষ্পষ্ট প্রমাণ তার উন্নত নৈতিক চরিত্র। কারণ উন্নত নৈতিক চরিত্র ও মস্তিস্ক বিকৃতি একসাথে একই ব্যক্তির মধ্যে থাকতে পারে না। যার বুদ্ধি-বিবেক ও চিন্তার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেছে এবং মেজাজে সমতা নেই সেই পাগল। পক্ষান্তরে মানুষের উন্নত নৈতিক চরিত্র প্রমাণ