১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭      

English Version

কৃষি ও বাজার

পার্বতীপুরে বাড়ছে ‘সুগন্ধি’ ধানের চাষ

পার্বতীপুরে বাড়ছে ‘সুগন্ধি’ ধানের চাষ

সুগন্ধি জাতের ব্রি-ধান ৩৪। আবাদে পরিবেশ বান্ধব এ ধান। অপেক্ষাকৃত কম উর্বর জমিতেও এর ভাল ফলন হয়। উৎপাদন খরচও কম। তাই অধিক লাভবান হওয়ায় এ ধান চাষে আগ্রহ বেড়েই চলেছে কৃষকদের। এই সুগন্ধি ও চিকন চাল বিদেশে রপ্তানি হওয়ায় বাজারেও রয়েছে প্রচুর চাহিদা। তাই পার্বতীপুরে এবার উন্নত এই জাতের ধানের চাষ হয়েছে ১৩হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে। সুগন্ধি ব্রি-৩৪ ধানের চাষে উৎসাহ যোগাচ্ছেন পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি অফিস ও স্থানীয় একটি বে-সরকারী সাহায্য সংস্থা। এ ধান চাষ হওয়ায় কমে গেছে মোটা ধান চাষ। ফলে স্থানীয় মার্কেটে মোটা ধানের সংকট সৃষ্টি হতে পারে। পার্বতীপুর কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে আমন চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৯শ’ ৬০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৪শ’ ১৫ হেক্টর জমিতে ব্রি-ধান ৩৪ জাতের সুগন্ধি ধান চাষ হয়েছিল। ২০১৭ সালে আমন চাষের লক্ষমাত্রা ছিল ২৭ হাজার ৯শ’ ৬০হেক্টর জমি। এর মধ্যে ১৩ হাজার
মাল্টার সঙ্গী আগাম টক বরই

মাল্টার সঙ্গী আগাম টক বরই

সাড়ে ৪ একর উঁচু জমি। ওই জমিতে বছর দুয়েক আগে ৮৫০টি টক বরই এবং ৮৫০টি মাল্টার কলমের চারা লাগিয়েছেন। প্রতি সারিতে একটি করে টক বরই আর একটি করে মাল্টাগাছ লাগানো হয়েছে। মাল্টার ফলনের সময় ফুরিয়েছে মাস তিনেক আগেই। এবার ওই বাগানের ১০টি মাল্টাগাছে প্রথম ফল ধরেছিল। এখন ওই বাগানের ৮৫০টি গাছে টক বরই ধরেছে। তা-ও আবার আগাম। চাষি মোসলেম এক সপ্তাহ ধরে টক বরই বিক্রি শুরু করে দিয়েছেন। আগাম হওয়ায় এখন বাজারে এক কেজি টক বরই বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা দরে। এক মাস পরই এক কেজির দাম হবে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সফল চাষি মোসলেম এবার আগাম টক বরই বিক্রি করবেন প্রায় দুই টন। এবার বরই বেচে প্রায় দুই লাখ টাকা পাবেন তিনি। একসঙ্গে দুটি ফলের বাগান করে উপজেলার অন্যান্য চাষিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। ওই বাগানে গেলে মনে হয় ‘মাল্টার সঙ্গী টক বরই’। মোসলেম বললেন, মাল্টাই হবে এ বাগানের প্রধান ফলের গাছ। আগাম টক বরই থাকবে মাত্র পাঁচ বছর। পাঁচ বছর পর ম
আমনের দামে কৃষক খুশি হলেও দুশ্চিন্তা নগরে

আমনের দামে কৃষক খুশি হলেও দুশ্চিন্তা নগরে

আমন ধান উঠলে চালের দাম আরও কমবে বলে আশা করা হলেও নতুন চালে দাম কমেনি ঢাকার বাজারে, উল্টো দাম কিছুটা বাড়ার কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। বিগত বছরগুলোর তুলনায় ধানে বাড়তি দাম পাওয়ায় কৃষকরা খুশির কথা বললেও বাঙালির প্রধান এই খাদ্যপণের দাম আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। মিরপুর-১ নম্বর বাজারে চালের পাইকারি বিক্রেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন হারুন বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত বছর এই সময় আমনের নতুন চাল পাইকারিতে প্রতিকেজি ৩২ টাকা থেকে ৩৪ টাকার মধ্যে ছিল। এবার সেই চাল ৪০ থেকে ৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন আমন ধান থেকে উৎপন্ন মোটা চালের দাম ৫০ কেজির বস্তা দুই হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২০৫০-২০৭০ টাকায় পৌঁছেছে। “মোটা চালের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অন্যান্য চালও বস্তায় ৫০ টাকা করে বেড়েছে গত এক সপ্তাহে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সব ধরনের চালে ৫০ কেজির বস্তায় চারশ টাকা
হাওরে ভরা মৌসুমে বোরো আবাদ অনিশ্চিত, হতাশ কৃষক

হাওরে ভরা মৌসুমে বোরো আবাদ অনিশ্চিত, হতাশ কৃষক

নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে ফসল ডুবিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি পানি। পুরো দমে বোরো আবাদের মৌসুম চললেও নেত্রকোনার হাওরগুলো থেকে এখনো সরছে না পানি। জেলার খালিয়াজুরী হাওরের বোরো আবাদ হয়ে পড়েছে অনিশ্চিত। কৃষকরা পড়েছেন দুঃচিন্তায়। এ অঞ্চলের বেশীর ভাগ কৃষক সরকারের দেয়া সার বীজসহ অন্যান্য কৃষি প্রনোদনা পেলেও জমিতে বীজই ফেলতে পারছেন না। যে কারণে আবাদের সময়ও যাচ্ছে পিছিয়ে। এর মধ্যে অনেক কৃষি কার্ডধারীরা বঞ্চিত হচ্ছেন এসব প্রনোদনা থেকে। এদিকে, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় সরকারিভাবে বিনা মূল্যে কৃষি প্রনোদনা হিসেবে বীজ, সারসহ নগদ টাকা দেয়া হচ্ছে। এতে গত বছরের সমান পরিমান জমিই আবাদ করা সম্ভব। পানি দ্রুত নামছে। ব্রি-২৯ ধান বপনের সময় পার হয়ে গেলেও ব্রি-২৮ জাতের ধান বীজ বপনের সময় এখনও আছে। এই ব্রি-২৮ জাতের ধান মাত্র তিনমাসে ফলন হয়। তাই এ বছর ব্রি-২৮ জাতের ধান বেশী করে আ
ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন জাতের আলু উৎপাদনে কৃষক মাঠ দিবস

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন জাতের আলু উৎপাদনে কৃষক মাঠ দিবস

ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন জাতের পামেলা (এটলাস) আলু চাষে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের গৌরিপুর গ্রামে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একেএম মাউদুদুল ইসলাম। এছাড়াও অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল এগ্রো লি. এর এমডি বেলায়েত হোসেন, আরডিআরএস বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ের কর্মসূচি ব্যবস্থাপক জিয়াউল ইসলাম, কৃষি কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মেরিনা সুলতানা ও মতিউর রহমান প্রমুখ। এসময় কৃষি বিভাগের কর্তকর্তারা জানান, প্রতি একরে এ জাতের আলু উৎপাদন হয় ১২-১৮ মে.টন। আর অন্যান্য আলু চাষের চেয়ে অল্প খরচে উৎপাদনের সময় লাগে ৯০দিন। পরে চুক্তিতে জগন্নাথপুর ও নারগুন ইউনিয়নের ৫০জন কৃষকের মাঝে আলু বীজ বিতরণ করা হয়। ডিসিএ প্রকল্পের মাধ্যমে আরডিআরএস তা বাস্তবায়নে কাজ করছে। ফলে কৃষকরা বাহির থেকে
বাংলাদেশে সাড়ে নয় হাজার দেশি ধানের জাত বিলুপ্ত।

বাংলাদেশে সাড়ে নয় হাজার দেশি ধানের জাত বিলুপ্ত।

এ দেশ থেকে অসংখ্য ধানের জাত বিলুপ্ত হওয়ায় উদ্বেগের কারণ হয়েছে। উফশী ও হাইব্রিডের দাপটে এসব দেশি জাতের ধান এখন খুব কম চাষ হয়। উন্নত ও কাঙ্খিত জাতের ধান উদ্ভাবনের জন্য দেশি জাতের ধানের জিন প্রয়োজন হয়। দেশি জাতের ধানের ভাত সুস্বাদু ও সুগন্ধি। দেশি জাতের ধান চাষে সার ও সেচ কম লাগে। পোকামাকড় রোগবালাই দ্বারা আক্রান্ত কম হয়। অর্থাৎ উৎপাদন খরচ কম। ধানগুলো যেহেতু প্রাকৃতিকভাবে এসেছে, সেহেতু হাইব্রিড ও উফশী জাতের চেয়ে বেশী স্বাস্থ্য সম্মত। এখনও দেশি জাতের চালের চাহিদা বেশী, দামও বেশী। যেমন- বাসমতি, কালিজিরা, পাইজাম, নাজিরশাইল, বিরই ইত্যাদি এর বাস্তব উদাহরণ। দেশি জাতের একটি গুণই খারাপ, সেটা হচ্ছে উৎপাদন কম। আবার উৎপাদন খরচও কম, দাম বেশি। কিন্তু উফশী ধানের উৎপাদন খরচ বেশি, কিন্তু ধানের বা চালের দাম কম। এদিক থেকে চিন্তা করলে দেশি জাতের ধান পিছিয়ে নেই। শুধু ক্রমহ্রাসমান জমি থেকে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চা
এই মৌসুমে কি চাষ করলে ভালো হয়?

এই মৌসুমে কি চাষ করলে ভালো হয়?

সবাইকে প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি এ সময়ের কৃষি। চলুন জেনে নেই কী কী থাকছে এ পর্বে। প্রথমেই ধান। ধান ধান গাছের বয়স ৪৫-৫০ দিন হলে ইউরিয়ার শেষ কিস্তি উপরি প্রয়োগ করে দিন। ইউরিয়া সার দেয়ার আগে জমির আগাছা পরিষ্কার করে নিন এবং সার দেয়ার সময় জমিতে ছিপছিপে পানি রাখুন। এ সময় বৃষ্টির অভাবে খরা দেখা দিতে পারে। খরায় আমন ধানের ফলন কমে যায়। এ জন্য সম্পূরক সেচ দেয়ার ব্যবস্থা করুন। ফিতা পাইপ দিয়ে সম্পূরক সেচ দিতে পারেন। মনে রাখবেন সম্পূরক সেচ আমন ধানের ফলনকে বাড়িয়ে দেয়। এ সময় ধানক্ষেতে রোগ পোকার আক্রমণ দেখা দিতে পারে। সতর্কতার সঙ্গে রোগ পোকা দমনের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষেতে ডাল বা কঞ্চি পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে পাখি পোকা ধরে খাবে। হাতজাল দিয়েও পোকা ধরা যায়। রোগ পোকার আক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলেই কেবল অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করুন। তবে এ ক্ষেত্রে সঠিক বালাইনাশক, সঠিক সময়ে, সঠি
আমবাগানে বালাইনাশক স্প্রে কখন কীভাবে করবেন?

আমবাগানে বালাইনাশক স্প্রে কখন কীভাবে করবেন?

বর্তমানে দেশের অনেক জেলাতেই বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষাবাদ শুরু হয়েছে। তবে সকল জেলাতে বাগান ব্যবস্থাপনা একই রকম নয়। রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাই আম বাগান বেশ ভালো ভাবেই নিয়মকানুন মেনে ব্যবস্থাপনা করা হয়। আমের ফলন আবহাওয়ার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। চলতি মৌসুমে শীতের প্রকোপ ততটা বেশি নয়। ফলে আমের মুকুল বের হবে কিছুদিন আগেই। কোন কোন জেলাতে কুয়াশা পড়তে দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই আমচাষীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বালাইনাশক ¯েপ্রর গতানুগতিক নিয়মরায়। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, কোন কোন চাষী চলতি মৌসুমে ভালো ফলন পাওয়ার জন্য ইতিমধেই ২/৩ বার ¯েপ্র করেছেন তার আমবাগানে। এইভাবে ¯েপ্র চলতে থাকলে আম সংগ্রহ পর্যন্ত সংখ্যা দাড়াবে ১৫-৬২ বার জাত ভেদে। তবে বেশিরভাগ চাষী এখনও ¯েপ্র করা শুরু করেননি। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুরু করবেন অতি শীঘ্রই। ¯েপ্র খরচ বেশি হওয়ায় এবং আমের দাম কম হওয়ার কারণে  বিগত বছরগুলোতে আমচাষীরা ব্যাপকভাবে তির
আমন বীজের কৃত্রিম সংকট, প্রতারিত হচ্ছে কৃষক

আমন বীজের কৃত্রিম সংকট, প্রতারিত হচ্ছে কৃষক

এবছর পাহাড়ীঢল, অকাল বন্যা ও ব্লাষ্ট রোগের কারণে বোরো ধানের ফলন বিপর্যয় ঘটেছ। ফলে গত বছরের তুলনায় ১০ থেকে ১২ লাখ মেট্রিক টন চাল কম উৎপাদন হতে পারে। চালের এই ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার বিদেশ থেকে চাল আমদানির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আমদানি শুল্ক শতকরা ২৮ ভাগ থেকে ১০ ভাগে  হ্রাস করা হয়েছে। অর্থের অভাবে যাতে চাল আমদানি ব্যাহত না হয় সেজন্য ব্যবসায়ীগণকে চাল আমদানির পর খালাস করার সময় চালের মূল্য পরিশোধ করার সুযোগ করে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশে উৎপাদিত চালের শতকরা প্রায় ৩৫  ভাগ আসে আমন মৌসুমে। এক সময় আমনই ছিল দেশের প্রধান চাল উৎপাদন মৌসুম। আমন মৌসুমে তেমন সেচ ও সারের প্রয়োজন না হওয়ায় ইউনিট প্রতি উৎপাদন খরচ হয় কম। বন্যা ছাড়া এ ফসলের তেমন কোনো দুর্যোগ ঝুঁকি নেই। বিদেশ থেকে সব সময় আমদানি করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বোরো মৌসুমে দেশে চাল উৎপাদনে যে ঘাটতি হয়েছে, তার আংশিক পুষিয়ে নিতে আমন
২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দাম আর্থিক ক্ষতির মুখে চাষিরা

২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দাম আর্থিক ক্ষতির মুখে চাষিরা

অব্যাহত দর পতনে হঠাৎ করেই বিপর্যয় নেমে এসেছে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত চিংড়িশিল্পে। গেল ২০ বছরের মধ্যে এখন সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে গলদা চিংড়ি। ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ঘেরমালিক ও চাষি। সরেজমিন দেখা গেছে, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার স্থানীয় বাজারগুলোতে এখন পানির দামে বিক্রি হচ্ছে গলদা চিংড়ি। চিংড়ি চাষিরা জানিয়েছেন, জমির ব্যবস্থাপনা, পোনা ক্রয় ও খাবার খরচ দিয়ে প্রতি কেজি চিংড়ি উৎপাদনে ব্যয় হয় প্রায় সাড়ে ৮০০ টাকা। আর বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। অব্যাহত দর পতনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন কয়েক লাখ প্রান্তিক চাষি। জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে প্রতিবছর গলদার চাষ হয়। তবে চাষিরা উৎপাদিত চিংড়ি সরাসরি কোম্পানিতে বিক্রি করতে পারেন না। স্থানীয় বাজারে চাষির বিক্রি করা চিংড়ি কয়েক দফা হাতবদলের পর তা পৌঁছায় কোম্পানিতে। আর বাজারগুলোতে থাকে মধ্যস্বত্বভো