২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮      

English Varsion

রূপার ভাই বললেন আর কেউ যেন এ ঘটনার শিকার না হয়।

অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রু. ১২, ২০১৮ ১৬:০৪

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে কলেজছাত্রী জাকিয়া সুলতানা রূপাকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবার। সোমবার এই রায় ঘোষণার পর আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রূপার ভাই হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক, মা হাসনা হেনা ও বোন মাশরুফা আক্তার পপি। জাকিয়া সুলতানা রূপার বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশে। ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজে পড়ালেখা করার পাশাপাশি একটি কোম্পানির প্রোমশনাল ডিভিশনে কাজ করছিলেন তিনি। তার কর্মস্থল ছিল ময়মনসিংহ জেলা সদরে।

আদালত প্রাঙ্গণে রূপার ভাই হাফিজুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। হত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ডের মধ্য দিয়ে আমার বোনের আত্মা শান্তি পাবে। আমি চাই, আমার বোনের মত আর কেউ যেন এ ধরনের ঘটনার শিকার না হন। দেশের অন্য বিচারপ্রার্থীরাও যেন দ্রুত ন্যায়বিচার পায়। এ দিকে স্বল্প সময়ে রায় প্রকাশ করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রূপার মা হাসনা হেনা (৬০) বলেন, আমার জীবদ্দশায় আমার কলিজার টুকরো মেয়ে রূপাকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি কার্যকর দেখে যেতে চাই দ্রুততম সময়ে।

এছাড়া আদালত প্রাঙ্গণে রূপার ছোট বোন পপি বলেন, এ রায়ে আমরা খুশি। রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। আর আমার পরিবারের পাশে থাকার জন্য সরকার, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। গত বছরের ২৫ অগাস্ট রাতে কর্মস্থলে ফেরার পথে চলন্ত বাসে রূপাকে দল বেঁধে ধর্ষণ ও হত্যার পর তার লাশ ফেলে দেওয়া হয় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে মধুপুর উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় ওই বাসের চালক, সুপারভাইজারসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্যে দিয়ে গতবছর ২৯ নভেম্বর এ মামলার বিচার শুরু করে টাঙ্গাইলের আদালত। তার তিন মাসের মাথায় সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করে।

image_printপ্রিন্ট